ফিলিস্তিনের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন

অনলাইন ডেস্কঃ
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮ এএম
শেয়ার করুন:
ফিলিস্তিনের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন

স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের বর্তমান মানবিক সংকট ও দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের গভীর উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভাষণে বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, যেকোনো সংকটের সমাধান কেবল আলোচনা, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সম্ভব।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক হতে হবে সমতা, ন্যায্যতা, জাতীয় স্বার্থ এবং একে অপরের সম্মান ও মর্যাদার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে পরিবর্তনের প্রধান হাতিয়ার হওয়া উচিত যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা—কোনো মারণাস্ত্র নয়। পরস্পরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ বিনির্মাণে জাতিসংঘকে কার্যকর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

উন্নয়ন খাতের বাজেট কমিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতাকে বিশ্বশান্তির অন্যতম বড় অন্তরায় হিসেবে আখ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী। শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ সবসময়ই পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্বশান্তি ও মানবতা রক্ষায় জাতিসংঘের যেকোনো ইতিবাচক পদক্ষেপে বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।