এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি জ্যাজ কণ্ঠশিল্পী ও গীতিকার ক্যাসান্দ্রা উইলসন আর নেই। নিজ শহর মিসিসিপির জ্যাকসনে অবস্থিত নিজ বাসভবনে ৭০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গত চার দশকের অন্যতম প্রভাবশালী এই সংগীতশিল্পী।
সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃত্যুর সময় তাঁর পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপক রবার্ট টর। তবে শিল্পীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
এক শোকবার্তায় ব্যবস্থাপক রবার্ট টর বলেন, ‘অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আমাদের প্রিয় বর্ষীয়ান গায়িকা ক্যাসান্দ্রা উইলসন আর আমাদের মাঝে নেই।’
সংগীতের অনন্য ধারা ও প্রভাব:
জ্যাজ, ব্লুজ ও লোকসংগীতের সীমানা ভেঙে দিয়ে নিজের এক স্বতন্ত্র সংগীতধারা তৈরি করেছিলেন ক্যাসান্দ্রা উইলসন। তাঁর গানে পপ, কান্ট্রি ও আরঅ্যান্ডবির সংমিশ্রণ শ্রোতাদের মাঝে বিপুল সমাদৃত হয়। হৃদয়স্পর্শী ও আবেদনময়ী কণ্ঠের জন্য ২০০১ সালে বিখ্যাত ‘টাইম’ ম্যাগাজিন তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা গায়িকা হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল।
শিল্পীর প্রয়াণে মিসিসিপির জ্যাকসনের মেয়র জন হর্ন গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁকে শহরের এক ‘অসাধারণ সন্তান’ ও বিরল সংগীত-প্রতিভা হিসেবে অভিহিত করেন।
অন্যদিকে জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীতশিল্পী জন বাতিস্তে স্মৃতিচারণ করে বলেন, উইলসনের কণ্ঠে আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহ্যের সুর স্পষ্ট হয়ে উঠত। লোকসংগীত, আরঅ্যান্ডবি ও আফ্রিকান-আমেরিকান সংগীতের বহুমাত্রিক ধারার মেলবন্ধনে উইলসনের যে অসাধারণ দক্ষতা ছিল, তা বিশ্বসংগীতের পাশাপাশি তাঁর নিজের সংগীতযাত্রাকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
জীবন ও উল্লেখযোগ্য অর্জন:
১৯৫৫ সালে মিসিসিপির জ্যাকসনে ক্যাসান্দ্রা ফোকস নামে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী শিল্পী। মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি পিয়ানো বাজানো শেখেন এবং বারো বছর বয়সে হাতে তুলে নেন গিটার।
১৯৮০-এর দশকের শুরুতে তিনি নিউইয়র্ক শহরে পাড়ি জমান। সেখানে স্যাক্সোফোনবাদক স্টিভ কোলম্যানের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তিনি বিখ্যাত ‘এম-বেস কালেক্টিভ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
১৯৮৮ সালে প্রকাশিত তাঁর অ্যালবাম *‘ব্লু স্কাইস’* সমালোচকদের নজর কাড়ে। তবে ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া *‘ব্লু লাইট টিল ডাউন’* অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেন।
সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৭ সালে *‘নিউমুন ডটার’* এবং ২০০৯ সালে *‘লাভারলি’* অ্যালবামের জন্য ‘সেরা জ্যাজ ভোকাল অ্যালবাম’ বিভাগে দু’বার মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যামি পুরস্কার লাভ করেন উইলসন। এ ছাড়া জ্যাজ সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননাগুলোর একটি—‘ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর দ্য আর্টস (এনইএ) জ্যাজ মাস্টার’ উপাধিতে ভূষিত হন তিনি।
জুলাই ১, ২০২৬
জুলাই ১, ২০২৬
জুলাই ১৯, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
বলিউড | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এশিয়া | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।