এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের সালথায় গ্রামীণ জনপদে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে রাস্তা ও বাঁশের সাঁকো নির্মাণের পর এবার দীর্ঘদিন ধরে অকেজো পড়ে থাকা একটি ভাঙা কালভার্ট সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. এনায়েত হোসেন। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে রড, সিমেন্ট ও বালু দিয়ে আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে কালভার্টটি চলাচলের উপযোগী করে তুলছেন তিনি। এর আগে নিজ খরচে ইটের রাস্তা ও সাঁকো তৈরি করে এলাকায় প্রশংসিত হয়েছিলেন এই যুবদল নেতা।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া–মোন্তার মোড় আঞ্চলিক সড়কের ইজারাপাড়া ডাঙ্গী জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে দুই ভাগ হয়ে যাওয়া কালভার্টটির সংস্কারকাজ পুরোদমে চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে কালভার্টটির নিচের মাটি ধসে পড়লে এটি একদিকে হেলে গিয়ে ভেঙে যায়। তখন সাময়িকভাবে চলাচলের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাঠের তক্তা বিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে চলতি বছরের বর্ষার বৃষ্টিতে সেই তক্তাগুলোও নষ্ট হয়ে যায়। সম্প্রতি কালভার্টটি পুরোপুরি ভেঙে দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়লে ওই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল।
ভোগান্তির কথা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ুন মোল্লা বলেন, “কালভার্টটি পুরোপুরি ভেঙে যাওয়ায় এই সড়ক দিয়ে যান চলাচল একেবারেই বন্ধ ছিল। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতে খুব সমস্যা হচ্ছিল। যুবদল নেতা এনায়েতের এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের বড় স্বস্তি ফিরবে।”
আরেক বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন জানান, এ সড়কটি শুধু যাতায়াত নয়, কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কালভার্ট ভাঙা থাকায় এলাকার কৃষকেরা উৎপাদিত ধান, পাট ও পেঁয়াজ হাটে নিতে পারছিলেন না। আবার কৃষি উপকরণ নিয়ে গ্রামে ফেরাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে বর্তমান ধান কাটার মৌসুমে এই ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। কালভার্টটি মেরামত হওয়ায় কৃষকদের জন্য বিশাল উপকার হয়েছে।
উদ্যোগের বিষয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. এনায়েত হোসেন বলেন, “সড়কটির কালভার্ট দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা থাকায় সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের নিয়মিত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে এবং তারা ব্যবস্থার আশ্বাসও দিয়েছে। তবে দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে মানুষের তাৎক্ষণিক কষ্ট দূর করতে আর অপেক্ষা করিনি। ব্যক্তিগত খরচে রড, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে আরসিসি ঢালাই করে এটি সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। মানুষের ভোগান্তি লাঘব করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।”
উল্লেখ্য, এর আগেও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নিয়ে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন এনায়েত হোসেন। তিনি একই ইউনিয়নের তুগোলদিয়া গ্রামে একটি পূজামণ্ডপে যাতায়াতের সুবিধার জন্য নিজ অর্থায়নে ১৫০ ফুট ইটের সলিং রাস্তা তৈরি করে দেন। এ ছাড়া তুগোলদিয়া ও ইউসুফদিয়ার সংযোগস্থলে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছিলেন তিনি। একের পর এক এমন জনহিতকর উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।