এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জাতীয় সংসদে নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ হিসেবে দাবি করার বক্তব্যটিকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অব টাং’ (মুখ ফসকে বলা কথা) বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। আজ বুধবার (১৭ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি নিজের এই ভুলের কথা স্বীকার করেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেছিলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর পরিবারের বড় অবদান ছিল এবং তাঁর বাবা ও দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমার বাবা এবং দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। আমার বাবারা সাত ভাই, এর মধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা-ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।”
সংসদে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তাঁর নির্বাচনি হলফনামা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিমের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। মুক্তিযুদ্ধের প্রায় এক দশক পর ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির বাবা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কীভাবে ‘শহীদ’ হতে পারেন—তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।
এই বিষয়ে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মুনতাকিমের ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মুয়ীদ বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিমের বাবা ও মা উভয়েই বর্তমানে জীবিত আছেন। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি মূলত তাঁর ‘বাবারা ও দাদারা’ (চাচা ও জেঠাতো স্থানীয় পূর্বপুরুষ অর্থে) শহীদ হয়েছেন বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অসাবধানতাবশত বা মুখ ফসকে কেবল ‘বাবা ও দাদা’ বলে ফেলেছেন।
ব্যক্তিগত সহকারী আরও বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁরা অবগত আছেন এবং এটি সম্পূর্ণ একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অব টাং’। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবেও জানানো হবে।
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ১ নভেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১ নভেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১ নভেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১ নভেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।