এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যের (এমপি) সন্তান হলেও অপরাধের দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে আনা হয়েছে।”
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অপরাধী শনাক্তকরণ, গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচারের মুখোমুখি করার প্রতিটি ধাপেই পুলিশ সফলভাবে কাজ করছে। দুই-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা (Reward & Punishment system) কার্যকর করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “পুলিশ সদস্যদের ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হচ্ছে, তেমনি কোনো সদস্য অপরাধে জড়ালে বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সুশৃঙ্খলভাবে পুলিশসহ অন্যান্য সব বাহিনী পরিচালিত হচ্ছে।”
মানবাধিকার ও আইনি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা বেশ কিছু আইনের সংশোধন এনেছি এবং নতুন আইন প্রণয়ন করেছি। ভবিষ্যতেও এই সংস্কার অব্যাহত থাকবে।” তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেন, “বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম কিংবা হেফাজতে মৃত্যুর (কাস্টোডিয়াল ডেথ) মতো ঘটনা ঘটেনি। এতেই প্রমাণিত হয় যে দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে জনগণের সার্বিক প্রত্যাশা পূরণে আমাদের আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে হবে।”
চলমান উপনির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। সরকার একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এদিকে ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের মাঠে ফেরার গুঞ্জন ও সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। তারা মূলত একটি স্বৈরতান্ত্রিক ও মাফিয়া শক্তি ছিল এবং কোনোদিন গণতান্ত্রিক চর্চা করেনি। গণঅভ্যুত্থানের মুখে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “জাতিসংঘের হিসাবে ১৪০০-এর বেশি এবং আমাদের তথ্য অনুযায়ী দুই সহস্রাধিক নিরীহ মানুষকে যারা হত্যা করেছে, সেই গণহত্যার দায়ে তারা এখনো জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি; বরং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে তারা জঙ্গিবাদের তকমা দিয়েছিল। দেশের জনগণ তাদের এই রাজনীতি আর কখনোই মেনে নেবে না। কে বা কারা দেশে ফেরার চেষ্টা করছে, তা নিয়ে সরকার বিন্দুমাত্র বিচলিত নয়। যে-ই আসুক না কেন, আইনের শাসন রক্ষায় তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।”
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
নওগাঁ | ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
রাজধানী | ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সারাদেশ | ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।