এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় রাতের আঁধারে নির্বিচারে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রির রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয় দৌলতপুর ইউনিয়নের বেজপুর গ্রাম এবং পার্শ্ববর্তী রিফাইতপুর ইউনিয়নের শীতলাপাড়া মাঠ থেকে অবাধে কাটা হচ্ছে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল)। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করার দাবি তুলে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙিয়ে নির্বিঘ্নে এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের আলো নিভে সন্ধ্যা নামার পরপরই শুরু হয় মাটি কাটার মহোৎসব, যা চলে গভীর রাত পর্যন্ত। ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে কাটা এসব মাটি স্টিয়ারিং ট্রলি ও মাহিন্দ্রসহ বিভিন্ন ভারী যানবাহনে করে আশপাশের বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বেজপুর গ্রামের মাটি পার্শ্ববর্তী রমজানের ইটভাটাসহ একাধিক ভাটায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
একই চিত্র দেখা গেছে রিফাইতপুর ইউনিয়নের শীতলাপাড়া মাঠেও। সেখানেও ফসলি জমির ভেতর থেকে শত শত গাড়ি মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে ফসলি জমিতে গভীর খাদের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে আশপাশের জমিগুলো ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ছে এবং বর্ষাকালে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, জমির উপরিভাগের ৫–৭ ইঞ্চির উর্বর মাটি ফসল উৎপাদনের মূল প্রাণ। সেই মাটি ইটভাটায় চলে যাওয়ায় জমির স্বাভাবিক উর্বরতা স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য উৎপাদনে মারাত্মক বিপর্যয় নামতে পারে।
এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, মাটি কাটার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তবে এ অপকর্মের সঙ্গে সংসদ সদস্যের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, ‘প্রশাসন ম্যানেজ আছে’—এমন কথা প্রচার করে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এই কারবার চালিয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। এতে করে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
প্রশ্ন উঠেছে—বেজপুর ও শীতলাপাড়া মাঠে অনুমোদনহীন এই মাটি কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) দপ্তর অবগত কি না? জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও কৃষিজমির বুক চিরে রাতভর মাটি পরিবহন করা হলেও কেন নেওয়া হচ্ছে না কঠোর কোনো ব্যবস্থা?
এ বিষয়ে দৌলতপুরের কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবিলম্বে উপজেলা প্রশাসন, ভূমি দপ্তর এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। তাঁদের দাবি, রাতের বেলায় সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার যন্ত্র ও পরিবহন জব্দ করাসহ এই চক্রের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
জুলাই ৪, ২০২৫
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
জুন ২৪, ২০২৪
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
বান্দরবান | ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।