নীলফামারীতে ১৪৭২ মৃত ভাতাভোগী শনাক্ত

অনলাইন ডেস্কঃ
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:১৭ পিএম
শেয়ার করুন:
নীলফামারীতে ১৪৭২ মৃত ভাতাভোগী শনাক্ত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি যাচাই (ডোর-টু-ডোর লাইভ ভেরিফিকেশন) কার্যক্রম পরিচালনা করেছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়। এ কার্যক্রমে ১ হাজার ৪৭২ জন মৃত ভাতাভোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাঁদের ভাতা বন্ধসহ চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তির পে-রোল স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিভিন্ন ভাতার নীতিমালা অনুসরণ করে গত ৩ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ইউনিয়ন কমিটির সহযোগিতায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সুবিধাভোগীদের তথ্য যাচাই করা হয়। 

যাচাইয়ে শনাক্ত হওয়া ১ হাজার ৪৭২ জন মৃত ব্যক্তির তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে বিকল্প ও প্রকৃত উপকারভোগীদের প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে ইউনিয়ন কমিটিগুলোর কাছে তালিকা চেয়ে কয়েক দফা তাগিদপত্র পাঠানো হয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকেও আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে গত ৭ অক্টোবর উপজেলা ভাতা বাস্তবায়ন কমিটির সভায় শনাক্ত মৃত ব্যক্তিদের ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকলিমা বেগম, মোহনী বালা ও আব্দুল মজিদের নামে ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় জানিয়েছে, মোহনী বালা নামে তাঁদের তালিকায় কোনো ভাতাভোগী নেই এবং আব্দুল মজিদের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরই তাঁর ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব তথ্য সঠিক নয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, “সমাজসেবা কার্যালয়ের কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত ও যোগ্য সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রশাসন স্বচ্ছতা ও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।