এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দুর্বৃত্তদের হামলায় ছয় বছরের শিশুকন্যা তওবাকে হত্যার পর এবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা গোলাপ হোসেনও মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাপুর স্বদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে সকালে পুলিশ শিশু তওবার মরদেহ উদ্ধার করে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ নির্মম জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাপ হোসেনের পৈতৃক বাড়ি রামকৃষ্ণদী গ্রামে হলেও তিনি পরিবার নিয়ে লতব্দী ইউনিয়নের দোসরপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে রামকৃষ্ণদী এলাকার একটি ইটভাটায় কর্মরত নিজের বাবা জয়নাল মিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। সেখান থেকে শিশুকন্যা তওবাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় ‘মোল্লা ব্রিকস’-এর কাছে বাবা-মেয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।
হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গোলাপ হোসেনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। একই সঙ্গে তাঁর ছয় বছর বয়সী নিষ্পাপ কন্যা তওবাকে নির্মমভাবে হত্যা করে ইটভাটার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় গোলাপ হোসেনকে উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাপুর স্বদেশ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ রামকৃষ্ণদী গ্রামের মোল্লা ব্রিকসের পাশের পরিত্যক্ত জমি থেকে শিশু তওবার মরদেহ উদ্ধার করে। এর কয়েক ঘণ্টা পর দুপুরে হাসপাতালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বাবা গোলাপ হোসেন।
নিহত তওবার নানি তাসলিমা জানান, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, সেই পূর্বশত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে বাবা ও মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
নেত্রকোনা | ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।