এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের স্থায়ী অবসান হবে না। দেশের মানুষ যে নতুন দিনের প্রত্যাশা নিয়ে রাজপথে নেমেছিল, সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হলে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক কাঠামোয় আমূল সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে।”
শনিবার জয়পুরহাটের তা'লীমুল ইসলাম একাডেমি অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ষান্মাসিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “জনগণের ভোটাধিকার, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে কোনো স্বৈরাচারী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে, সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আর এই ইতিবাচক পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হতে পারে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ বর্তমানে নানামুখী রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আজ জনগণের মূল প্রত্যাশা একটি ইনসাফভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ। তাই রাজনৈতিক পরিবর্তন কেবল সরকার পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; রাষ্ট্র পরিচালনার সামগ্রিক পদ্ধতিতে গুণগত রূপান্তর আনতে হবে।”
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থাই টেকসই হতে পারে না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা তখনই শক্তিশালী হয়, যখন জনগণ নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষ থেকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। এজন্য রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তম্ভকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. ফজলুর রহমান সাঈদ এবং সঞ্চালনা করেন জয়পুরহাট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মণ্ডল।
সভাপতির বক্তব্যে মো. ফজলুর রহমান সাঈদ বলেন, “দেশের বর্তমান বাস্তবতায় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে রাজনৈতিক দলগুলোকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।”
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মমতাজ উদ্দীন ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। এ ছাড়াও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, রাশেদুল আলম সবুজ, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন, তরবিয়ত সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুল হাসান এবং বায়তুলমাল সেক্রেটারি হাকিকুল ইসলামসহ জেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মে ২৭, ২০২৬
এপ্রিল ২৯, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৩ আগস্ট, ২০২৬
ঢাকা | ২৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ আগস্ট, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ২৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।