এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইউক্রেনজুড়ে রাতভর ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বুধবারের এই হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ। হামলায় বিভিন্ন অঞ্চলের আবাসিক ভবন, শিল্পকারখানা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, হামলায় রাজধানী কিয়েভে দুইজন, উত্তরাঞ্চলের চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকি শহরে চারজন এবং মধ্যাঞ্চলীয় পোলতাভায় আরও দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন।
চেরনিহিভের প্রিলুকিতে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে সরাসরি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, সেখানে অন্তত চারজন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন আশঙ্কায় জোর উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
১৩০ ড্রোন ও ৪৮টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় রাশিয়া প্রায় ১৩০টি ড্রোন এবং ৪৮টি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে থাকা মোট ১৬১টি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এই দফায় কিয়েভ, পোলতাভা, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দনিপ্রোপেত্রোভস্ক এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খারকিভ অঞ্চল ছিল হামলার মূল লক্ষ্য।
রাতভর হামলার সাইরেন বাজার পর রাজধানী কিয়েভের বহু বাসিন্দা আতঙ্কিত হয়ে শহরের ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন। কিয়েভের এক বাসিন্দা জানান, বহুতল ভবনে থাকার কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়, যার ফলে মেট্রো স্টেশনগুলোকেই তারা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
অন্যান্য অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দনিপ্রো শহরে বিমান হামলায় একটি শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া জাপোরিঝঝিয়ায় পরিবহন অবকাঠামো এবং ক্রেমেনচুকে একাধিক আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রাশিয়ার দাবি
অন্যদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প স্থাপনা লক্ষ্য করে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথ থেকে দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে। মস্কোর দাবি, তাদের হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ফায়ার পয়েন্ট’-এর কারখানা, যেখানে দূরপাল্লার ড্রোন ও ‘ফ্লেমিংগো’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি ও সংরক্ষণ করা হতো।
তবে উভয় পক্ষের দেওয়া হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির এসব দাবি নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আগস্ট ১১, ২০২৬
জুলাই ৯, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
সারাদেশ | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
জাতীয় | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আইন আদালত | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সারাদেশ | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
রাজধানী | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।