এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইতিহাসে এমন দৃশ্য হয়তো আগে দেখেনি বাংলাদেশ। যেখানে সামরিক বাহিনীর চৌকস স্যালুট আর আনুষ্ঠানিকতার ভারে নুয়ে আসে আকাশ, সেখানে কোনো সেনাপতি বা রাষ্ট্রনায়ক নন, চিরনিদ্রায় শায়িত ৯ বছরের এক শিশু—রাইসা মনি। মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে নিহত সেই ছোট্ট শিশুর কবরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর 'গার্ড অব অনার' প্রদানের অভূতপূর্ব ও হৃদয়বিদারক দৃশ্যে অশ্রুসিক্ত হলো ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা।
শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে এই নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হয় আলফাডাঙ্গার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রাম। যশোর মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটি থেকে বিমান বাহিনী প্রধানের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে স্কোয়াড্রন লিডার মো. জিহাদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল নিহত রাইসার গ্রামে এসে পৌঁছায়।
প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রাইসার বাড়িতে গিয়ে তার শোকাহত বাবা-মা ও স্বজনদের প্রতি বিমান বাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে গভীরতম সমবেদনা জ্ঞাপন করে।
এরপর পুরো গ্রামের মানুষকে নিয়ে তারা এগিয়ে যান বাজড়া শামসুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা গোরস্থানের দিকে। সেখানে রাইসা মনির ছোট্ট কবরের পাশে দাঁড়িয়ে, সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ নিয়ম মেনে, তার সম্মানার্থে প্রদান করা হয় ‘গার্ড অব অনার’। একই সাথে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জানানো হয় শ্রদ্ধা। এই অভাবনীয় ও করুণ সুন্দর দৃশ্যে উপস্থিত কেউই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।
এর আগে, জোহরের নামাজের পর মাদ্রাসার মসজিদে রাইসার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয় এবং পরে বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, "একটি শিশুর প্রতি রাষ্ট্রের এমন সম্মান প্রদর্শন এককথায় নজিরবিহীন। বিমান বাহিনী প্রধানের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় রাইসার পরিবারের পাশে থাকবে।"
এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ,কে,এম রায়হানূর রহমান, ওসি মো: শাহা জালাল আলম, বিএনপি নেতা কাইয়ুম সিকদার, মিডিয়া কর্মী সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাইসা মনির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ঘটনার চারদিন পর, ২৫ জুলাই, তার নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছিল।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।