এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন[1].
আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন বলেন, "বিভিন্ন সামাজিক ও বিয়ে অনুষ্ঠানে ধনীদের অপচয় এবং অহেতুক জাঁকজমকের প্রদর্শন কল্পনার বাইরে চলে গেছে[1][2]. গায়ে হলুদের নাচের কোরিওগ্রাফির জন্য প্রায় এক মাস ধরে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া হয়[1][2]। এসব আয়োজনের পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে"[2]।
তিনি আরও বলেন, "বিয়েতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিলেও সেখানে পরিবেশিত খাবারের বড় একটি অংশই অপচয় হয়[1][2]। এই অপচয় বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি"[1][2]।
অতীতে থাকা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, "পূর্বে একটি অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন বলবৎ ছিল, যেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি অতিথি উপস্থিত থাকলে কর দেওয়ার নিয়ম ছিল[1][2]। আমরা প্রস্তাব করছি, বর্তমানে বিয়ের অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথি আমন্ত্রণ জানানো হলে অতিরিক্ত প্রতিটি অতিথির বিপরীতে ১ হাজার টাকা সরকারি কর নির্ধারণ করা হোক"[1][2]।
বিএনপির এই সংসদ সদস্য দাবি করেন, বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে এই ধরনের অপচয় এবং সম্পদের জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শন নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর বাড়তি চাপ কমবে[1][2]। আর এতে করে দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম এক দিনেই অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে[1][2]।
জুন ১৪, ২০২৬
ডিসেম্বর ২, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।