এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নওগাঁর মহাদেবপুরে উপজেলার আত্রাই নদের ওপর কালনা-বিষ্ণুপুর সেতু নির্মাণকাজ প্রায় আট বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। অথচ এখন পর্যন্ত সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৬৫ শতাংশ। বাকি ৩৫ শতাংশ কবে নাগাদ শেষ হবে, তা জানেন না কেউ। সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় প্রতিদিন নদী পারাপার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কার্যালয় সূত্র জানায়, নদীপাড়ের বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ করতে ও ভোগান্তি কমাতে সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ২৬২ মিটার দৈর্ঘ্য সেতুটি নির্মাণের জন্য ২০১৮ সালের জুন মাসে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। কাজ পায় আইসিএল নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের জন্য চুক্তিমূল্য ধরা হয় ২৯ কোটি টাকা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের অক্টোবরে। কিন্তু মেয়াদ শেষের প্রায় সাড়ে ৩ বছর পরও কাজ শেষ হয়নি।
সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই ধীরগতিতে চলছিল। এর মধ্যে সেতুটির ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দীর্ঘদিন ধরে লাপাত্তা। দীর্ঘ সময়েও সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মহিষবাথান ও এনায়েতপুরের মানুষদের দূর্ভোগ চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে কোনো শ্রমিককে সেতু নির্মাণের কাজ করতে দেখা যায়নি। আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কিছু নির্মাণসামগ্রী। সেতু নির্মাণের জন্য সাতটি স্প্যান করার কথা। সেখানে নদের মাঝে ফাঁকা রেখে দুই পাশে করা হয়েছে পাঁচটি স্প্যান। সেতুর ওপরের ছাদের কিছু অংশের কাজ শেষ হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, 'কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই ঠিকাদার তাঁর ইচ্ছামতো কাজ করায় এখনো কাজ শেষ হয়নি। দীর্ঘদিন হলো কাজ বন্ধ করে ঠিকাদার চলে গেছে। এভাবে কাজ করলে কবে শেষ হবে, তা কেউ বলতে পারবেন না।'
সালেক মিয়া বলেন, 'আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। গ্রামের অসুস্থ বা গর্ভবতী নারীকে জরুরিভাবে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে হলে অন্তত ১২-১৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়। সেতুটি হলে তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পারব।'
স্কুলশিক্ষার্থী আখি আক্তার বলেন, 'স্কুলে যাওয়া-আসার সময় ঝুঁকি নিয়ে নদ পারাপার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। আবার অনেক সময় দেরি হয়ে যায়। সেতুটি দ্রুত হলে আমরা সঠিক সময়ে ক্লাসে যেতে পারতাম।'
মহিষবাথান এলাকার কৃষক করিম উদ্দিন বলেন, কয়েক বছর আগে কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু শেষ হওয়ার কোনো নাম নেই। সেতুটির কাজ দ্রুত শেষ হলে আশপাশের কয়েক গ্রামের উৎপাদিত ফসল সহজেই বাজারে নিয়ে বিক্রি করা যাবে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার সিহাব হোসেন বলেন, আর্থিক সমস্যার কারণে সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। কাজের মেয়াদ শেষ হওযায় পুনরায় মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সৈকত দাস বলেন, 'আমাদের পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দিয়েও কাজে গতি আসেনি। নির্ধারিত মেয়াদের অনেক সময় পার হয়ে গেছে। প্রয়োজনে নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী করা হবে।
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫
নভেম্বর ২৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৭ জুন, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৭ জুন, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৭ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৭ জুন, ২০২৬
কুমিল্লা | ২৭ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।