এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নির্বাচনী বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ২ জন নিহত ও কমপক্ষে অর্ধশত লোক আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদারের গোষ্ঠী ও কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
নিহতরা হলেন গোয়ালনগর গ্রামের আক্তার মিয়া-(৪৫) ও গোয়ালনগর মসজিদের ইমাম মোঃ হাবিবুর রহমান-(৩৫)।
এ ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগেও গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এই দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদারের গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেন। এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করতে থাকে। শিশু মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক ছিলেন।
সম্প্রতি জিয়াউর রহমান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বাড়িতে আসেন। জিয়াউর রহমান বাড়িতে আসার পর শিশু মিয়াকে আটক করে মারধর করে এবং তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৭ মার্চ দুই দলের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
পুরানো ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ফের রহিম তালুকদারের গোষ্ঠী ও কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে প্রথমে রহিম তালুকদারের গোষ্ঠীর আক্তার মিয়া নিহত হয়। এ সময় ঝগড়া থামাতে গিয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ হাবিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে অর্ধশত লোক আহত হয়।
আহতরা নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা নেয়।
এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রনে আছে। ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের লোকজন সকাল থেকে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে দুইজন নিহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।