এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত না হলে সৌদি আরবের সঙ্গে কোনো বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি এগোবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিখ্যাত 'আব্রাহাম চুক্তি'র আওতায় রিয়াদকে এই সমঝোতায় আসতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, "ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এটিই সৌদি আরবের জন্য উপযুক্ত সময়।"
ট্রাম্পের স্পষ্ট বার্তা
হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মার্কিন পারমাণবিক উদ্ভাবনসংক্রান্ত এক আয়োজনে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "জ্বালানি বিভাগ আমার ইঙ্গিত না বুঝে এগোয়নি। এটি শুরু থেকেই অনুমিত ছিল যে, সৌদি আরবকে আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে হবে। আব্রাহাম চুক্তির সদস্য হওয়ার জন্য এটিই রিয়াদের জন্য মোক্ষম সুযোগ।"
চুক্তির পটভূমি ও নতুন শর্ত
সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও রিয়াদ সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। প্রাথমিকভাবে মার্কিন জ্বালানি বিভাগ এটিকে দুই দেশের মধ্যে কয়েক হাজার কোটি ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত অংশীদারিত্ব হিসেবে তুলে ধরেছিল।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র একদিন পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েলকে স্বীকৃতির শর্তটি জুড়ে দেন এবং পরবর্তীতে নিজের এই শক্ত অবস্থানে অনড় থাকেন।
সৌদি আরবের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ও ঐতিহাসিক অবস্থান
ট্রাম্পের এই নতুন শর্তের বিষয়ে সৌদি আরব এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের নীতিতে অটল—একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেবে না। অন্যদিকে, ইসরায়েলের বর্তমান সরকার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের চরম বিরোধিতা করে আসছে।
চুক্তির মেয়াদ ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ
প্রস্তাবিত এই দ্বিপাক্ষিক পারমাণবিক চুক্তিটি প্রায় ৩০ বছর স্থায়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উন্নত মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা সৌদি আরবে হস্তান্তর করা হবে।
সংবাদমাধ্যমের একাংশে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, এই চুক্তির অধীনে রিয়াদ নিজ দেশে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ পেতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেটি সরাসরি নাকচ করে দিয়ে জানান, সৌদি আরবে কোনো ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
নিরাপত্তা ও মার্কিন পর্যবেক্ষণ
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, এই চুক্তির ফলে পারমাণবিক অস্ত্র প্রসারের কোনো ঝুঁকি থাকবে না। কারণ, মার্কিন রিয়্যাক্টর নকশাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েস্টিংহাউস’সহ অন্যান্য মার্কিন ঠিকাদারেরাই পুরো প্রকল্প তদারকি ও পর্যবেক্ষণ করবে। ফলে ওয়াশিংটনের সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।
জুলাই ১৮, ২০২৬
জুলাই ১৩, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ময়মনসিংহ | ২৬ জুলাই, ২০২৬
ক্রিকেট | ২৬ জুলাই, ২০২৬
নাটোর | ২৬ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।