এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লড়াইয়ে জাপানের মুখোমুখি হয়ে বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখেই পড়তে হয়েছিল ব্রাজিলকে। তবে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি কথা বলেছেন দলের এই জয়ের নেপথ্যের কৌশল এবং কীভাবে তারা জাপানি রক্ষণব্যুহ ভেঙেছেন তা নিয়ে।
ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় আনচেলত্তি জানান, ম্যাচের প্রথমার্ধে জাপানের অত্যন্ত সুসংগঠিত রক্ষণভাগের কারণে মাঝমাঠ দিয়ে কোনো আক্রমণ গড়ে তুলতে পারছিল না তার দল। এমনকি উইং দিয়ে চেষ্টা করেও জাপানি ফুটবলারদের কড়া মার্কিংয়ের কারণে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসছিল না।
এই অচলাবস্থা ভাঙতে বিরতির সময় খেলোয়াড়দের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন এই অভিজ্ঞ কোচ। একই সঙ্গে কৌশলে পরিবর্তন এনে মধ্যমাঠের চেয়ে উইং দিয়ে আক্রমণ বাড়ানো এবং প্রতিপক্ষের বক্সে বেশি বেশি ক্রস ফেলার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠের খেলায় এই পরিকল্পনারই প্রতিফলন ঘটে।
আনচেলত্তি বলেন, "প্রথমার্ধে আমরা মূলত মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পরে বুঝতে পারি, আমাদের উইং ধরে আক্রমণ আরও বাড়াতে হবে এবং বক্সে বেশি ক্রস দিতে হবে। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ঠিক সেটিই করেছি, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।"
আক্রমণের ধার বাড়াতে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামানো হয় তরুণ তারকা এনদ্রিককে। পরবর্তীতে মাঠে নামেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। আনচেলত্তির মতে, মার্টিনেল্লির গতিময় দৌড় ও চতুর মুভমেন্ট জাপানের রক্ষণভাগে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে দেয়, যার পুরো ফায়দা তোলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়ররা।
ব্রাজিলিয়ান কোচ আরও জানান, সমতায় ফেরার পর তারা অতিরিক্ত সময়ের জন্য অপেক্ষা করেননি। বরং নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যেই জয়সূচক গোল পেতে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিলেন।
প্রতিপক্ষ জাপানের প্রশংসা করে আনচেলত্তি বলেন, "ওরা শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী এবং ভীষণ সুসংগঠিত একটি দল। আমাদের জন্য ওরা সত্যিই কঠিন প্রতিপক্ষ ছিল।"
কঠিন পরিস্থিতি সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর এই লড়াকু মানসিকতাকেই জয়ের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন ব্রাজিল কোচ। নিজের দলের আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে তিনি বলেন, "খেলার মাঠে ভুলত্রুটি হতেই পারে, তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি, তবে সামনে আমাদের জন্য আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।"
জুলাই ৮, ২০২৬
মে ২৪, ২০২৬
জুলাই ১২, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
নোয়াখালী | ১ অক্টোবর, ২০২৬
মাদারীপুর | ১ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ১ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ১ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।