এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আলোচিত হত্যা মামলার পলাতক থাকা এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ২নং গোপালপুর ইউনিয়নের কোটরা মহব্বতপুর গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে মোঃ আবদুল আহাদ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে পিবিআই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। পিবিআই নোয়াখালী সূত্র জানায়,বেগমগঞ্জ মডেল থানার দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তে আসামির সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে একাধিকবার অভিযান পরিচালনার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দর থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুবাই পালিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা ওই আসামি দেশে ফেরার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় গ্রেপ্তার হয়। পরে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। অভিযানে ডিএমপির বিমানবন্দর থানা পুলিশ সহায়তা করে।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, বিগত ২০২৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাবুল্যাপুর কালভার্টের সামনে পূর্বশত্রুতার জেরে আবদুল আহাদ ও তার সহযোগীরা ভিকটিম আবদুল লতিফ মিন্টুকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে সিএনজি যোগে প্রায় এক কিলোমিটার পশ্চিমে কোটরা মহব্বতপুর এলাকায় নিয়ে গিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পুনরায় আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ভিকটিমকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে একই দিন রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বেগমগঞ্জমডের থানায় ওই এলাকার গ্রাম পুলিশ মো. বেলাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান আরো বলেন, ঘটনার পর বিগত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ আসামি আবদুল আহাদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে পালিয়ে যান। প্রায় দুই বছর পর দেশে ফেরার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত দীর্ঘদিন নিরবচ্ছিন্ন তদন্তের মাধ্যমে মামলার অন্যতম সক্রিয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করার পর তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। হত্যাকান্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এপ্রিল ১১, ২০২৫
ফেব্রু ২৫, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
পিরোজপুর | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।