এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
১১ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমাদের এই লড়াই কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়; এ লড়াই জনগণের লড়াই, দেশের আঠারো কোটি মানুষের সার্বিক মুক্তির লড়াই।”
আজ শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পৌর ভবনের সামনে ‘ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে ড. শফিকুর রহমান বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ‘জুলাই সনদ’-এর আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করা এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন জরুরি।”
জনদুর্ভোগ ও রাষ্ট্রীয় সংকট নিরসনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “দেশব্যাপী বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও সারের তীব্র সংকট দূর করতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করে তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি করতে হবে। প্রশাসন ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সব ধরনের দলীয় হস্তক্ষেপ ও প্রভাব বিস্তার বন্ধ করার পাশাপাশি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ভূমিদখল কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।”
একপর্যায়ে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে জামায়াত আমির প্রশ্ন রেখে বলেন, “জনগণের মুক্তির এই লড়াইয়ে আপনারা আমাদের সঙ্গে আছেন তো?” এ সময় উপস্থিত জনতা হাত নেড়ে তাঁর কথার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা জনগণের সাথে আছি এবং আগামীর বাংলাদেশকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।”
সংক্ষিপ্ত এই পথসভা শেষে তিনি খুলনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। লংমার্চের সফরসঙ্গী হিসেবে সহস্রাধিক যানবাহনের বহরে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে অংশ নিতে দেখা যায়।
এর আগে লংমার্চকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই ভাঙ্গা উপজেলা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মহাসড়কের দুই পাশে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় মহাসড়কে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়।
ভাঙ্গায় এই কর্মসূচির সার্বিক সমন্বয়ে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদর উদ্দিন আহমেদ ও ভাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সারোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
বরিশাল | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।