এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
একটি বাঁশের সাঁকোতেই বদলে গেছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার দুই গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের চিত্র। যে পথে চলতে গিয়ে প্রতিদিন কাদা-পানিতে চরম ভোগান্তিতে পড়তেন কৃষক ও শিক্ষার্থীরা, সেই পথেই এখন ফিরেছে স্বস্তি। খালের বুক চিরে নির্মিত এই সাঁকোটির মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থায় স্বস্তি ফেরাতে নিজস্ব অর্থায়নে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এলাকায় প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা যুবদলের সদ্য ঘোষিত সদস্যসচিব মো. এনায়েত হোসেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া ও তুগোলদিয়া গ্রামের সংযোগস্থলে গিয়ে দেখা যায়, খালের ওপর বাঁশের সাঁকোটি নির্মিত হওয়ায় দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষে সাঁকোটি পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে পাকা সড়ক ও সেতুর অভাবে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। শুকনো মৌসুমেও সরু হালট আর কাদাপানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হতো। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল মাথায় নিয়ে খালের পানির মধ্য দিয়ে পার হতে গিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হতো।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, "আমাদের এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া খুব একটা লাগেনি। বর্ষা এলে তো কথাই নেই, শুকনো দিনেও কৃষকদের ফসল নিয়ে খালের পানি পার হতে অনেক কষ্ট হতো। এতে সময় ও শ্রম দুটোই অপচয় হতো। এলাকার মানুষের এমন দুর্দশার কথা জানতে পেরে যুবদল নেতা এনায়েত হোসেন নিজস্ব অর্থায়নে এই বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করে দিয়েছেন। আমরা তাঁর এই উদ্যোগে ভীষণ উপকৃত হয়েছি।"
কৃষক পলাশ মোল্লা স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে কাদাপানি পেরিয়ে মাথায় করে ফসল আনা-নেওয়া করতে হয়েছে। অনেক সময় ধান বা পাট নিয়ে খালে পড়ে গিয়ে ক্ষতির শিকার হতে হতো। সাঁকোটি হওয়ায় আমাদের সেই কষ্ট অনেকটাই ঘুচেছে। শুধু তা-ই নয়, আগে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিকল্প পথে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হতো। এখন তারা সাঁকো দিয়ে নির্বিঘ্নে সময়মতো যাতায়াত করতে পারছে।"
এ বিষয়ে যুবদল নেতা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, "রাজনীতি আমার কাছে শুধু পদ-পদবি কিংবা নেতৃত্বের বিষয় নয়; রাজনীতি হচ্ছে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগের মাধ্যম। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করে দিয়েছি। আমার এই ছোট্ট উদ্যোগে যদি একজন কৃষকের কষ্ট কমে কিংবা শিক্ষার্থীরা নিরাপদে বিদ্যাপীঠে যেতে পারে, তবেই আমার এ প্রচেষ্টা সার্থক।"
তিনি আরও বলেন, "বাঁশের সাঁকো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এখানে একটি টেকসই পাকা রাস্তা ও সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। আমি মানুষের পাশে থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এখানে স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিক্ষা | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।