এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পরপরই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের সম্প্রসারণের প্রস্তুতি চলছে। সরকারের সার্বিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়ানো এবং মন্ত্রণালয়ের কাজের চাপ কমানোর লক্ষ্যে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন আরও অন্তত দেড় ডজন (১৮ জন) নতুন মুখ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২১ আগস্ট নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সরকার ও দলীয় নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, এবার মন্ত্রিসভায় বড় কোনো রদবদল বা ছাঁটাই নয়, বরং মন্ত্রিসভার কলেবর ও কার্যকারিতা বাড়ানোর ওপরই জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যায়িত না হওয়া জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের ভারসাম্য বজায় রেখে নবীন নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞদের পূর্ণ মন্ত্রী এবং তুলনামূলক তরুণদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। মূলত স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ধর্ম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ বেশি থাকায় এসব জায়গায় নতুন করে প্রতিমন্ত্রী যুক্ত করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দায়িত্ব গ্রহণ করে বর্তমান সরকার। তাঁর মন্ত্রিসভায় বর্তমানে ২৪ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১৬ আগস্ট সরকার গঠনের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।
আলোচনায় যেসব নাম:
নতুন করে মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন এমন সম্ভাব্য তালিকায় স্থায়ী কমিটির সদস্য, টেকনোক্র্যাট এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আলোচনায় রয়েছেন। এ তালিকায় নাম রয়েছে—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, রকিবুল ইসলাম বকুল, মাহিদুর রহমান এবং কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল।
এছাড়া আঞ্চলিক ও বিশেষ এলাকার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, সাচিং প্রু জেরি, মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিঙ্কন, মো. আবুল কালাম এবং সংরক্ষিত নারী আসনের মাহমুদা হাবিবা ও বীথিকা বিনতে হোসাইনের নামও আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি সরকারের শরিক দলগুলো থেকেও দুজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অন্যান্য পদ:
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকায় দল ও সরকারে একাধিক পদে পরিবর্তন আসন্ন। মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে তাঁর ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন হবে। একই সঙ্গে তাঁর দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়েও নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। অন্যদিকে জাতীয় সংসদে ‘সংসদ উপনেতা’ হিসেবে দলের স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়ে আলোচনা:
মির্জা ফখরুলের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পদে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। দলীয় সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের নাম ঘোষণা করা হতে পারে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, পুনর্গঠন বা রদবদল সরকার ও দলের একটি রুটিন প্রক্রিয়া। কাজের গতিশীলতা ও কার্যসম্পাদনের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সরকারপ্রধান প্রয়োজন অনুভব করলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
নভেম্বর ৯, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
রাঙ্গামাটি | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
নওগাঁ | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
মাদারীপুর | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।