এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন এক মা। তবে অত্যন্ত কম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়া এই শিশুদের মধ্যে চারজনই মারা গেছে। বর্তমানে বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলে শিশুটিকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শিপ্রা ব্যানার্জি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামের সিঙ্গাপুরপ্রবাসী মাহামুদুল হাসান ডলারের (৩০) স্ত্রী চাঁদনী বেগম (২২) প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে অস্ত্রোপচার ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে (নরমাল ডেলিভারি) তিনি একে একে পাঁচটি সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকদের মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে ছিল।
দেড় বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির ঘরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের আগমনের বার্তাটি পরিবারে আনন্দ বয়ে এনেছিল। চিকিৎসকের পরীক্ষায় আগেই জানা গিয়েছিল চাঁদনীর গর্ভে পাঁচটি সন্তান রয়েছে। কিন্তু অপরিণত বয়সে ভূমিষ্ঠ হওয়ায় সেই আনন্দ শেষ পর্যন্ত বিষাদে রূপ নেয়।
হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, গর্ভধারণের সাত মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই শিশুগুলোর জন্ম হয়। স্বাভাবিক প্রসব হলেও প্রতিটি শিশুর ওজন ছিল অত্যন্ত কম—মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের মধ্যে।
নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রীতিরাজ পাল চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আনার সময় পাঁচটি বাচ্চাই জীবিত ছিল। তবে ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের নবজাতকেরা ‘এক্সট্রিমলি লো বার্থ ওয়েট’ (অত্যন্ত কম ওজন) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। ২৪ থেকে ২৬ সপ্তাহে জন্ম নেওয়া এসব শিশুর বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত আধুনিক নিবিড় নবজাতক পরিচর্যা কেন্দ্রের (এনআইসিইউ) প্রয়োজন হয়। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় চিকিৎসকেরা তাদের জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে শিশুদের স্থানান্তরিত করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে চিকিৎসকেরা বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলে শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।