ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক ‘ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা’ মসজিদে নিয়ে আসা হয়েছে[1][2]। টানা ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশটির হাল ধরা এই প্রভাবশালী নেতার শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে[3][4]। এটি হতে যাচ্ছে ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা ও শোক সমাবেশ[3]। শুক্রবার (৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে[3][5]।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে শেষ বিদায়ের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে তাঁর জন্মস্থান মাশহাদ শহরের পবিত্র ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে[4][6]।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হন[4][6]। একই হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিত্বও প্রাণ হারান[4][7]। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তাঁর দাফন ও শেষ বিদায়ের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় কয়েক মাস বিলম্ব ঘটে[4][8]।

দেশটির দীর্ঘদিনের এই নেতার প্রয়াণে পুরো ইরানজুড়ে গভীর শোকের আবহ বিরাজ করছে[6][9]। খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এবং জানাজায় অংশ নিতে ইরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজধানী তেহরানে জড়ো হচ্ছেন[1][6]। ঐতিহাসিক এই শোক সমাবেশকে কেন্দ্র করে তেহরানজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে[1][10]।