এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মহাসড়ক আইনে টাঙানো বিলবোর্ডে লেখা রয়েছে-'সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত, মহাসড়কের নিয়ন্ত্রণ রেখার মধ্যে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ ও হাট-বাজার বসানো বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মহাসড়কের কোনো অংশ ব্যবহার করা যাবে না।' একই আইনে আরও লেখা-'মহাসড়কে সওজ অধিগ্রহণকৃত ভূমির প্রান্তসীমা হতে ৩৩ ফুটের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।' নওগাঁ সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে আত্রাই উপজেলার আঞ্চলিক সড়কগুলোতে এভাবেই লিখে টাঙিয়ে দেওয়া আছে বিভিন্ন সতর্কতামূলক বাণীর বিলবোর্ড। কিন্তু সুযোগ পেলেই নিয়ম না মেনে যে যার মতো নির্মাণ করছে স্থাপনা, কেউ কেউ বালু, খোয়া ও খড়ি রেখে ব্যবসা করছে। আবার কেউ খড় শুকিয়ে নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদাসীনতায় দিন দিন আত্রাই উপজেলায় এই প্রবণতা বেড়েছে। কেউ মহসড়কের পাশেই জায়গা দখল করে নির্মাণ করছে স্থায়ী স্থাপনা, কেউ করছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। আবার একজনের দেখাদেখি আরেকজন নিচ্ছে সুযোগ। সাধারণ মানুষ বলছে-সড়ক বিভাগের টাঙানো বিলবোর্ড সতর্কবাণীতেই সীমাবদ্ধ, নেই কার্যকর ভূমিকা। জানা গেছে, আত্রাই উপজেলায় সওজের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সড়কে সতর্কবাণীর বিলবোর্ড টাঙানো থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। আঞ্চলিক সড়কের জায়গায় বসানো হচ্ছে বাজার।
বসিয়ে সাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধও করা হয় একাধিক জায়গায়। কোথাও কোথাও সড়কের ওপরই বসে হাট, যা চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। সড়কের ওপর ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানোর ঘটনাতো নিত্যদিনের। এমনকি অনেকে স্থায়ীভাবে দখলও করে নিচ্ছে সড়ক বিভাগের জায়গা। এমন বহু ঘটনা রয়েছে উপজেলাজুড়ে। তাই সচেতন ব্যক্তিদের দাবি-শুধু সতর্কবাণী নয়, নিতে হবে যথাযথ ব্যবস্থা, করতে হবে আইনের প্রয়োগ। মোটরসাইকেল চালক সাজ্জাদ বলেন, সড়কে যখন খড় রাখে, তখন বোঝা যায় না। অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। আবার রাস্তায় ইট, বালু ও খোয়া রাখার ফলেও চলাচলে ঝুঁকি থাকে। তাই সড়কের ওপর কিছু না রাখায় ভালো।
সেই জন্য সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় অনেকে সাহস পায়। জানতে চাইলে নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, জনগণকে সচেতন করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সড়কে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড টাঙানো হয়। কিন্তু অনেকে মানতে চান না। সড়কের অধিগ্রহণকৃত ৩৩ ফিট জায়গার কাছে যার বাড়ি বা জমি থাকে, সে মনে করে এটা তার জায়গা। সরকারি সম্পত্তি হলেও সে নিজের সম্পত্তি মনে করে ব্যবহার করে। কেউ কেউ এই সড়কের ৩৩ ফিট জায়গা না ছেড়েই স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এসব বিষয়ে কী করা যায়, উদ্যোগ নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এপ্রিল ২৯, ২০২৫
জুন ১৭, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।