এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাটে অবস্থিত ‘ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে’ ভুল চিকিৎসায় মো. মোসলিম (১২) নামের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অভিযুক্ত হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে সদর কোর্টের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হামিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরবসু গ্রামের মাহফুজুর রহমানের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলার সময় চোখে আঘাত পেয়ে রক্ত জমে ফুলে যায় মোসলিমের। তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনরা তাকে দত্তেরহাটের ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের এমডি আবুল হোসেন শিশুটিকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) নিয়ে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই চোখে তিনটি ইনজেকশন দেন। এর কিছুক্ষণ পরই শিশুটির মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে এবং সে অচেতন হয়ে পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পরপরই আবুল হোসেনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। রোববার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন দাবি করেন, "শিশুটির চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় কেবল লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের ড্রপের কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা থাকে না।"
এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন জানান, "ঘটনার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালটি পরিদর্শন করি এবং অনিয়মের অভিযোগে তা সিলগালা করে দিয়েছি। ঘটনাটি তদন্তে নোয়াখালী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাঈমা নুসরাত জাবিন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।"
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, "নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিতে দেরি হওয়ায় আটক আবুল হোসেনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবার পরবর্তীতে নিয়মিত মামলা দায়ের করতে পারবে।"
ফেব্রু ২৫, ২০২৫
এপ্রিল ১৪, ২০২৪
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
নওগাঁ | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
মাগুরা | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
রাজনীতি | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।