এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
শরতের বিদায় আর হেমন্তের আগমনী আমেজে মাগুরার মহম্মদপুরে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘ঝামা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও গ্রামীণ মেলা’। মধুমতী নদীর বুকে বৈঠার ছন্দ, কাশার ঘণ্টার বাদ্য আর মাঝিমাল্লাদের হাঁকডাকে পুরো এলাকা যেন এক বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ারে ভেসে যায়। গ্রামবাংলার প্রাচীন এই লোকজ সংস্কৃতি উপভোগ করতে নদীর দুই তীরে ভিড় জমায় সব বয়সী হাজারো উৎসুক মানুষ।
উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের হরেকৃষ্ণপুর থেকে ঝামা এলাকা পর্যন্ত মধুমতী নদীর প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ জলপথে এই রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সুসজ্জিত মোট ছয়টি দ্রুতগতির নৌকা অংশ নেয়।
বৃহস্পতিবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। উদ্বোধনের সাথে সাথেই মাঝিদের জারি-সারি গান এবং বৈঠার টং-টং ধ্বনিতে উত্তাল হয়ে ওঠে শান্ত মধুমতী। নদীর দুই পার থেকে দর্শকদের মুহুর্মুহু করতালিতে পুরো নদী এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
বাইচ উপলক্ষে ঝামা বাজারসহ নদীর দুই পাড়জুড়ে বসেছিল জমজমাট গ্রামীণ মেলা। মেলায় বাহারি লোকজ কারুশিল্প, রঙিন মাটির খেলনা, ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ও গৃহস্থালির নানা পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। কেনাকাটা ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেলাটি দিনভর রূপ নেয় এক মহা লোকজ মিলনমেলায়।
প্রতিযোগিতা ও মেলা পরিদর্শন শেষে ঝামা বাজার চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঝামা নৌকা বাইচ ও মেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম এম রেজাউল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদতী মিস্ত্রি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা এবং সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ড. এম এম রইচ উদ্দিন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ খেলায় উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর গ্রামের আতিকের নৌকা প্রথম স্থান এবং একই গ্রামের আকিবের নৌকা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
অক্টোবর ৫, ২০২৫
মার্চ ১২, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
বান্দরবান | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
বান্দরবান | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
মাগুরা | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।