এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, বহুল আলোচিত পূর্বাচল প্লট জালিয়াতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। আদালতে অনুপস্থিত থাকায় শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অভিযোগ গঠন করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাঁদের অনুপস্থিতিতেই এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলো। আদালত আগামী ১১ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা এই তিনটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও তৎকালীন প্রশাসনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে উঠে এসেছে ক্ষমতার অপব্যবহারের এক চাঞ্চল্যকর চিত্র। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকাকালে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পদের প্রভাব খাটিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে পূর্বাচল নতুন শহরের কূটনৈতিক এলাকার সবচেয়ে মূল্যবান ছয়টি প্লট নিজেদের নামে বরাদ্দ নেন। দুদক জানায়, শেখ হাসিনা নিজে ১০ কাঠার একটি, এবং তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল প্রত্যেকে ১০ কাঠা করে প্লট বাগিয়ে নেন। এ ছাড়া তাঁর বোন শেখ রেহানা ও তাঁর সন্তানদের নামেও প্লট বরাদ্দের প্রমাণ মিলেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে ঘুষ, বিশ্বাসভঙ্গ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে পৌঁছেছিল, তার ইঙ্গিত মেলে অভিযুক্তদের দীর্ঘ তালিকা থেকে। শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবার ছাড়াও প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, যেমন সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞাসহ একাধিক সাবেক কর্তা ব্যক্তিও এই মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন।
ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার এই প্রক্রিয়াকে দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে এই ঐতিহাসিক মামলার রায় কী হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে সমগ্র জাতি।
জুলাই ২৮, ২০২৬
মার্চ ১৮, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
জাতীয় | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নাটক | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
বাংলাদেশ | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ক্রিকেট | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।