এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একটি আধুনিক পাটকল (জুট মিল) স্থাপনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত গত ২৮ জুলাইয়ের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের ২০ জুলাই পাঠানো আধা-সরকারি (ডিও) পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে সালথায় একটি আধুনিক পাটকল স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।
রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। স্থানীয়ভাবে পাটভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠলে কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সকলেই উপকৃত হবেন।
কৃষি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সালথা দেশের অন্যতম পাট উৎপাদনকারী উপজেলা। ফরিদপুর জেলায় বছরে দুই লাখ টনের বেশি পাট উৎপাদিত হয়, যার উল্লেখযোগ্য অংশ আসে সালথা থেকে। কিন্তু উপজেলায় কোনো পাটকল না থাকায় কৃষকদের উৎপাদিত পাট বিক্রির জন্য অন্য জেলায় নিয়ে যেতে হয়। এতে পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে তারা ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হন।
স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি, সালথায় আধুনিক পাটকল স্থাপিত হলে কৃষকরা সরাসরি পাট বিক্রির সুযোগ পাবেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে পরিবহন, গুদামজাতকরণ, ক্ষুদ্র শিল্প ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটবে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজ সালথায় একটি আধুনিক পাটকল স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনার মধ্য দিয়ে দাবিটি এখন আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাইসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করবে। তাদের বিশ্বাস, সালথায় আধুনিক পাটকল প্রতিষ্ঠিত হলে এটি শুধু একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানই হবে না বরং পুরো অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং দীর্ঘদিনের বেকারত্ব নিরসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
বরিশাল | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।