এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
৩৯ বছর বয়সেও মাঠের পারফরম্যান্সে এতটুকুও মরচে পড়েনি লিওনেল মেসির। ২০২৬ বিশ্বকাপে জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় আরেকটি অনন্য রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা সাতটি ম্যাচে গোল করার এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েছেন তিনি।
ডালাস স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপসেরা হওয়া আগেই নিশ্চিত থাকায় এই ম্যাচে অধিনায়ক মেসিকে শুরুর একাদশে না রেখে বিশ্রাম দিয়েছিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তবে ম্যাচের ৬০ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের বদলি হিসেবে তিনি মাঠে নামেন। আর মাঠে নামার ঠিক ২০ মিনিটের মাথায় আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
ম্যাচের ৮০ মিনিটে থিয়াগো আলমাদার দারুণ এক ড্রিবলিংয়ের সুবাদে বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। প্রায় ২৫ মিটার দূর থেকে বাঁ পায়ের জাদুকরী শটে বল প্রতিপক্ষের জালে জড়ান মেসি। জর্ডানের গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলাইলার চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। এই চোখধাঁধানো গোলেই আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানের জয় যেমন নিশ্চিত হয়, তেমনি মেসির নামের পাশে লেখা হয় নতুন ইতিহাস।
বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচে গোল করার রেকর্ডে এতদিন মেসির পাশে ছিলেন দুই কিংবদন্তি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জাস্ট ফঁতেন এবং ১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জাইরজিনিয়ো টানা ছয় ম্যাচে গোল করেছিলেন। জর্ডানের বিপক্ষে লক্ষ্যভেদ করে এই দুই কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে এককভাবে চূড়ায় বসলেন মেসি।
মেসির এই অনন্য ধারার শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে। সেবার নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরু করে নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া এবং ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপেও। চলতি আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক এবং অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর এবার জর্ডানের বিপক্ষেও জালের দেখা পেলেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯-এ।
জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের শুরুটা হয়েছিল প্রথমার্ধে। প্রথমে জিওভানি লো সেলসোর চমৎকার ফ্রি-কিক এবং পরবর্তীতে লাউতারো মার্তিনেজের পেনাল্টি গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। দ্বিতীয়ার্ধে জর্ডানের মুসা আল তামারি একটি গোল শোধ করে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফিরিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত মেসির সেই চেনা ফ্রি-কিক প্রতিপক্ষের ম্যাচে ফেরার আশা শেষ করে দেয়।
গ্রুপ পর্বে টানা তিন জয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বে পা রাখল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর ৩৯ বছর বয়সেও গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে ৬ গোল করে মেসি বুঝিয়ে দিলেন—তিনি শুধু দলের চালিকাশক্তিই নন, যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় ভরসার নাম।
জুলাই ২০, ২০২৬
জুলাই ১, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।