এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও জাতীয় সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। ১৯৯১ সালের পর থেকে প্রতিবারই একজন করে প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন। তবে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে থাকায় ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
প্রেক্ষাপট ও বর্তমান পরিস্থিতি
গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। ফলে সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজউদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচনের সময়সূচি ও তপশিল
গত ৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী:
মনোনয়নপত্র জমা: ১৩ আগস্ট (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা)।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই: ১৬ আগস্ট।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন: ১৮ আগস্ট।
ভোটগ্রহণ: ২০ আগস্ট (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন কক্ষে)।
(উল্লেখ্য, ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর একাধিক বৈধ প্রার্থী বহাল থাকলে ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ হবে। আর যদি একজনই প্রার্থী থাকেন, তবে ১৬ বা ১৮ আগস্টই তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।)
লড়াইয়ে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী
এবার মূলত দুটি রাজনৈতিক জোটের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে:
১. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনীত করা হয়েছে।
২. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম নেওয়া হয়েছে এবং দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত।
৩৫ বছর আগের স্মৃতি ও ইতিহাস
১৯৯১ সালে দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালু হওয়ার পর তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল বিএনপির আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের বদরুল হায়দার চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে ১৭২ ভোট পেয়ে আব্দুর রহমান বিশ্বাস বিজয়ী হন।
এরপর থেকে পরবর্তী প্রতিটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (শাহাবুদ্দিন আহমেদ, এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, জিল্লুর রহমান, আবদুল হামিদ এবং মো. সাহাবুদ্দিন) প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ফলে তিন দশকেরও বেশি সময় পর দেশে আবারও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ দেখতে পাওয়া যেতে পারে।
যোগ্যতা ও নির্বাচনের নিয়মাবলী
সংবিধানের ৪৮ ও ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার প্রধান শর্তসমূহ:
প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
বয়স ন্যূনতম ৩৫ বছর হতে হবে।
সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়ার মতো সব ধরনের যোগ্যতা থাকতে হবে (ঋণখেলাপী, দেউলিয়া বা আদালতের দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া যাবে না)।
যেভাবে ভোট হবে:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংসেদ এমপিদের সমন্বয়ে একটি বৈঠক হবে। প্রতিটি প্রার্থীকে প্রস্তাব করতে এবং সমর্থন দিতে একজন করে সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর লাগবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটে ভোট দেবেন। গণনার পর সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
মাগুরা | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।