এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় প্রবীণ সমাজসেবক ও ত্যাগী বিএনপি নেতা শের খান (শেরী)।
স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ডলুইছড়ির মানুষের সুখে-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে রয়েছেন। পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে এলাকায় তাঁর রয়েছে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা। ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন মেয়াদে তিনি নিজের অর্থ ও মেধা ব্যয় করে এলাকার যোগ্য ব্যক্তিদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তবে এবার এলাকাবাসী আর তাঁকে নেপথ্যের কারিগর হিসেবে নয়, সরাসরি নিজেদের অভিভাবক ও প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।
এলাকার একাধিক সচেতন ভোটার বলেন, “বিগত দিনে যেকোনো সংকট ও দুর্যোগে আমরা শের খানকে পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি নিঃস্বার্থভাবে অন্যকে মেম্বার বানাতে কাজ করেছেন। এবার আমরা তাঁকেই ইউপি সদস্য হিসেবে দেখতে চাই। তাঁর মতো সৎ, অভিজ্ঞ ও পরোপকারী ব্যক্তিত্ব মেম্বার নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”
উল্লেখ্য, শের খান বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনগণের এমন স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন ভালোবেসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতি করে আসছি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে সাধ্যমতো নিবেদিত থাকার চেষ্টা করেছি। তবে আমি মনে করি, মানুষের সেবা বা উন্নয়ন করতে হলে সবসময় নির্বাচনে অংশ নেওয়াটা একমাত্র শর্ত নয়; সেবার মানসিকতা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো অবস্থান থেকেই মানুষের পাশে থাকা যায়। তবুও এলাকাবাসী যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, তার প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যাঁরা দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় তাঁদের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অন্তর্ভুক্তি ঘটলে ওয়ার্ড পর্যায়ে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।