এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মাদারীপুরের কালকিনিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’র খাবার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার ৫১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তবে এই নোটিশের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আপত্তি জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ নিয়ে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনের মধ্যে প্রকাশ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত ও উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যে পরিচালিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তের পর গত ৭ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলে এলাহী স্বাক্ষরিত এক পত্রে কালকিনি উপজেলার ১৪৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫১টি বিদ্যালয়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশে জুলাই মাসের ২২, ২৩, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০ তারিখ এবং আগস্টের ২ তারিখ—এই মোট সাত দিনের খাবার বিতরণ ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হিসাবের অসংগতির বিষয়ে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার এহেন পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কালকিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। তিনি নোটিশের প্রক্রিয়া সঠিক হয়নি দাবি করে বলেন, “মাত্র ৭ দিনের হিসাব দিয়ে সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব নয়। ওই দিনগুলোতে টানা বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। আবার পরীক্ষার সময় উপস্থিতি বেশি থাকলেও তখন অতিরিক্ত খাবার পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা কিছু বিদ্যালয়ের খাবার সমন্বয় করেছি। তাই এভাবে হঠাৎ শোকজ নোটিশ দেওয়া ঠিক হয়নি। আমরা তিন মাসের হিসাব এবং চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ১০ দিনের হিসাব সমন্বয় করে বিষয়টি মেলাব।”
এদিকে শোকজের ঘটনায় মাঠপর্যায়ের প্রধান শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, বর্ষা বা বৈরী আবহাওয়ায় চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকায় উপস্থিতি কম হওয়া একটি স্বাভাবিক চিত্র। ডিম, কলা ও রুটির মতো পচনশীল খাবার ফেরত দেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সরকারি ব্যবস্থা বা বিকল্প নীতিমালা নেই। ফলে হঠাৎ উপস্থিতি কমে গেলে উদ্বৃত্ত খাবার নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। সুস্পষ্ট বিকল্প নির্দেশিকা ছাড়া শিক্ষকদের এভাবে প্রশাসনিকভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সমীচীন নয়।
অন্যদিকে অভিভাবকদের দাবি, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির বরাদ্দকৃত খাবার সম্পূর্ণভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হক। খাবার বিতরণের হিসাব-নিকাশে কোনো প্রকার কারচুপি বা অনিয়ম থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলে এলাহী বলেন, “প্রশাসনিক নিয়ম ও বিধি মেনেই ৫১টি বিদ্যালয়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।” উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার আপত্তি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোনোভাবেই বলতে পারেন না যে নোটিশটি সঠিক হয়নি। তিনি কী বলেছেন, সেটা তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে নিয়মানুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এপ্রিল ৮, ২০২৬
আগস্ট ২৭, ২০২৫
মে ২৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মাদারীপুর | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।