এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে দেশে চলমান বিক্ষোভ নিরসনে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সরকারের সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে অন্যতম নেতৃত্বদানকারী সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। দলটির স্পষ্ট দাবি—সরকারকে হয় আন্দোলনস্থল দিল্লির ‘যন্তর মন্তর’-এ এসে কথা বলতে হবে, নয়তো নিরপেক্ষ কোনো স্থানে বৈঠকের আয়োজন করতে হবে।
ভারতের সংবাদমাধ্যম *দ্য হিন্দু*-র প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রীদের 'অজুহাত' ও সিজেপির কড়া জবাব
বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা আন্দোলনরত সিজেপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেন। তবে সিজেপি নেতারা সরকারি অফিসে বা মন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হননি।
সিজেপির শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, "মন্ত্রীরা অজুহাত দিচ্ছেন যে জনগণ ক্ষুব্ধ বলে তারা যন্তর মন্তরে আসতে পারবেন না। আমরা তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না।"
যা বলছে ভারত সরকার
এর আগে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং আন্দোলনকারী তরুণ নেতাদের প্রতি উন্মুক্ত আলোচনার আহ্বান জানান। সরকারের পক্ষ থেকে তিনি উল্লেখ করেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চলমান এই আন্দোলন সরকারের কাছে কোনো মর্যাদার বা অহংয়ের বিষয় নয়।"
তিনি জানান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা ও তিনি নিজে সময়সীমার কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে সিজেপি নিজেদের অবস্থানেই অনড় রয়েছে এবং জানিয়েছে, কেবল নিরপেক্ষ কোনো স্থানেই তারা সরকারের সাথে সংলাপে বসবে।
ব্যঙ্গধর্মী দল থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব: কে এই 'সিজেপি'?
চলতি বছরের মে মাসে অভিজিৎ দীপক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক (স্যাটায়ারিক্যাল) ডিজিটাল সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্তের ‘পরজীবী ও তেলাপোকা’ সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই দলটির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল।
স্বল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং লাখ লাখ অনুসারী তৈরি হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা, সমাজকর্মী, বিশিষ্ট শিল্পী ও ক্রীড়াবিদরাও দলটির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। যা বর্তমানে ভারতে তরুণদের অধিকার ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা প্রতিবাদের অন্যতম মূল শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ২৩ জুলাই, ২০২৬
ভারত | ২৩ জুলাই, ২০২৬
ক্রিকেট | ২৩ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ২৩ জুলাই, ২০২৬
ফুটবল | ২৩ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।