এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
‘আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা মূল্যে গাঁজা ও ইয়াবা পৌঁছে দেব’—এমন অদ্ভুত ও বিতর্কিত ঘোষণা সংবলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রাম। পোস্টারে স্থানীয় এক যুবদল নেতার ছবি ও নাম ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাদপুর গ্রামের বিভিন্ন দেয়ালে এসব পোস্টার সাঁটানো হয়।
পোস্টারে ছবি ও নাম থাকা ব্যক্তির নাম মাসুদুর রহমান খোকন (৩৫)। তিনি শাহজাদপুর গ্রামের খলিল ভূঞা বাড়ির মো. আবুল হোসেনের ছেলে। ২০১৫ সাল থেকে পরপর দুই মেয়াদে তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আসন্ন কমিটিতেও একই পদের প্রার্থী তিনি।
বিতর্কিত ওই পোস্টারে খোকনকে ব্যঙ্গ করে ‘গাঁজার ডিলার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সেখানে লেখা স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘বেকারদের জন্য গাঁজা ভাতা’, ‘মাদকসেবীদের জন্য বিশেষ কার্ড’, ‘স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই’, ‘থানা-পুলিশ আমার ভাই’ এবং ‘উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে’।
তবে এ ঘটনাকে নিজের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন মাসুদুর রহমান খোকন। তিনি বলেন, “আমি মাদকের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। দল ক্ষমতায় এলেও আমি গাছ কেটেই জীবিকা নির্বাহ করি, যা এলাকার সবাই জানেন। এমনকি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান প্রার্থীও নই।”
ঘটনার পেছনে জামায়াতের হাত রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “কয়েক দিন আগে স্কুলে আমার ছেলেকে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে চড় মারে। এ নিয়ে আমি প্রতিবাদ করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিকভাবে আমাকে হেয় করতে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তবে অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেম। তিনি বলেন, “খোকনের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানোর সঙ্গে আমি বা আমার পরিবারের কেউ জড়িত নয়। খোকনের ছেলে স্কুলে আমাদের বাড়ির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত (ইভটিজিং) করেছিল। বিষয়টি নিয়ে আমার ছেলে চড়-থাপ্পড় দিয়ে সমাধান করে দিয়েছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, খোকনের নিজ দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই কেউ এই পোস্টার লাগাতে পারে।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম জানান, বিষয়টি তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন। তবে ভুক্তভোগী নেতার পক্ষ থেকে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।