এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরবঙ্গের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
বুধবার (৬ মে) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ সরাসরি সুফল পাবে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের ২৪টি জেলার কৃষি, মৎস্য চাষ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় এটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে রাজশাহীবাসীর কাছে এই প্রকল্পের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।”
বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি ও সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পানির সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এই কার্যক্রমের গতি বাড়ানো হয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিজে আগামী ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী সফর করবেন এবং সেখানে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “জনপ্রতিনিধিরা নিজ নিজ এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি তদারকি করছেন। মে মাস পর্যন্ত এই কাজ চলবে এবং বর্ষা শেষ হলে নভেম্বর থেকে আবারও পুরোদমে খননকাজ শুরু হবে।”
বৈঠকে পানিসম্পদ খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন, টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং নদী ভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ফেব্রু ১৩, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।