এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
রংপুরের মিঠাপুকুরের ১১নং বড়বালা ইউনিয়ন এলকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর খুনসহ ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত"হয়।
গত ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪খ্রি. রাত্রী আনুমানিক সাড়ে ৩ ঘটিকায় মিঠাপুকুর থানাধীন বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের মৃত মোহাম্মদ হোসেন সরকারের পুত্র আবু রায়হান মোঃ মিজানুর রহমান এর বাড়ীতে একটি খুনসহ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মুখোশধারী ৬/৭ জনের একটি ডাকাত দল বাড়ীর প্রাচীর টপকে রুমের ভেতরে প্রবেশ করে এলোপাথারী মারপিট করে অভিযোগকারীর স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা বেগম এর মাথায় আঘাত করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মামলার বাদীকে মারপিট করে মৃত্যুরভীতি প্রদর্শন করে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, জমির দলিলসহ মোট ৪,৩৪,৫০০/-(চার লক্ষ চৌত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকার মালামাল লুণ্ঠন করে। উল্লেখ্য যে, উক্ত বাড়ীতে শুধু ভিকটিমদ্বয় অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী থাকতেন। পরের দিন ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪খ্রি. সকাল আনুমানিক ৭.৩০ ঘটিকায় স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে মিঠাপুকুর থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় পুলিশী কার্যক্রম গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সিআইডি এর ক্রাইম সিন টিম, পিবিআই, ডিবি রংপুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এই ঘটনায় মৃতের স্বামী আবু রায়হান মোঃ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে মিঠাপুকুর থানায় একটি খুনসহ ডাকাতির মামলা রুজু হয়। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ নূর আলম সিদ্দিক মামলার তদন্তকারী অফিসার নিযুক্ত হন। অত্র জেলার পুলিশ সুপার মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী, বিপিএম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) দিক নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার ০৬ দিনের মধ্যেই খুনসহ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার এবং পরবর্তীতে আরও ০৫জন আসামীকে গ্রেফতার করেন। যার মধ্যে ০৩ জন আসামী বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। মামলার প্রধান অভিযুক্ত পেশাদার দূর্ধর্ষ ডাকাত মোঃ জাকির হোসেন ঘটনার পর থেকে পুলিশের গ্রেফতার এড়িয়ে পালিয়ে ছিলেন। তদন্তকারী চৌকস পুলিশ অফিসার মোঃ নূর আলম সিদ্দিকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৭ জুন ২০২৪খ্রি.শুক্রবার বদরগঞ্জ থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা হতে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টায় খুনসহ ডাকাতি মামলার প্রধান আসামী দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার কুশদহ মাদ্রাসাপাড়া গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলামের পুত্র মোঃ জাকির হোসেন গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী একজন পেশাদার অপরাধী। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ ও থানায় চুরি, ডাকাতি, দস্যুতা, মাদক সংক্রান্তে মোট ০৯টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে শনিবা সকাল ১১.৪৫ ঘটিকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয় রংপুরের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রংপুর মোঃ তরিকুল ইসলাম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) সভাপতিত্বে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫
জানু ২০, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।