এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় যুবদল ও পৌর বিএনপির একাংশের নেতারা।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা পৌর সদর বাজারে বিএনপি নেতা খোসবুর রহমান খোকনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহিন মোল্লা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. বাশারুল বারী, সহপ্রচার সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মো. কাইয়ূম শিকদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বিসিআইসি ও খুচরা সার ডিলার নিয়োগে একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সুবিধাভোগী একটি চক্র অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ ও সুবিধাভোগী কয়েকজনকে পুনরায় ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার তৎপরতা চলছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। এতে সার বিতরণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের সম্ভাব্য ডিলারদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আপত্তি তুলে ধরা হয়। নেতারা অভিযোগ করেন—আলফাডাঙ্গা ইউনিয়নে দাউদ মোল্যা (বিএনএফ), টগরবন্দ ইউনিয়নে আলামিন শেখ টোকন, বানা ইউনিয়নে কাজী অমিত হাসান জয় এবং পাচুড়িয়া ইউনিয়নে শওকত আলীকে ডিলারশিপ দেওয়ার জোর চেষ্টা চলছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ডিলার নিয়োগে প্রভাব বিস্তার করতে স্থানীয় একটি চক্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নাম ব্যবহার করছে, যা দলের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস বলেন, “ডিলার নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণ কৃষি বিভাগের এখতিয়ারভুক্ত। আমার জানামতে, এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক কোনো নেতার হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।”
এ প্রসঙ্গে আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা বলেন, “নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য তিনজন করে যোগ্য প্রার্থীর তালিকা জেলা কমিটিতে পাঠায়। জেলা কমিটি তা অধিকতর যাচাই-বাছাই করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। এরপর মন্ত্রণালয় থেকেই চূড়ান্ত ডিলার নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম করার সুযোগ নেই।”
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
রাঙ্গামাটি | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
নওগাঁ | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
মাদারীপুর | ১১ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।