এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীনতম রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজকল কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী পেপার মিলে (কেপিএম) অনুষ্ঠিত কালেক্টিভ বার্গেনিং এজেন্ট (সিবিএ) নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে শ্রমিক-কর্মচারী পরিষদ। এর মধ্য দিয়ে সংগঠনটি টানা পঞ্চমবারের মতো সিবিএ পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করতে কারখানা কর্তৃপক্ষের তদারকির পাশাপাশি মিল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনী। দিনভর কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মিলে নিবন্ধিত তিনটি শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে এবার দুটি সংগঠন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মোট ১১৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১১৪ জন। এর মধ্যে ‘চাকা’ প্রতীক নিয়ে কেপিএম শ্রমিক-কর্মচারী পরিষদ ১০১ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় অর্জন করে। তাদের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী কেপিএম ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ‘ছাতা’ প্রতীকে পায় মাত্র ১০ ভোট। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে দুটি ভোট বাতিল হয় এবং ৪ জন ভোটার ভোটদান থেকে বিরত থাকেন। এছাড়া নিবন্ধিত অপর সংগঠন কেপিএম এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন (‘হাতুড়ি’ প্রতীক) এবার নির্বাচনে অংশ নেয়নি।
ভোট গণনা শেষে চট্টগ্রাম শ্রম দপ্তরের যুগ্ম শ্রম পরিচালক সাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শহীদ উল্যাহ এবং কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম। তাঁরা সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মিল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন পূর্ববর্তী সিবিএ কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। বিধি অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা থাকায় চট্টগ্রাম শ্রম দপ্তর থেকে এ নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়েছিল।
এদিকে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ার পর নবনির্বাচিত নেতাদের নিয়ে এক সংক্ষিপ্ত শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবু সরোয়ার। তাঁরা বলেন, “শ্রমিক-কর্মচারীরা যে ভালোবাসা ও আস্থা নিয়ে আমাদের পুনরায় নির্বাচিত করেছেন, আমরা সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করব।” একই সঙ্গে তাঁরা ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে মিলটিকে সচল ও লাভজনক করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের ঐতিহ্যবাহী এই কাগজকলটি বর্তমানে নানা জরাজীর্ণতা ও সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কারখানার আধুনিকায়ন এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবনির্বাচিত এই সিবিএ নেতৃত্ব বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ শ্রমিক ও শুভানুধ্যায়ীদের।
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৫
মার্চ ২৬, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
পিরোজপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
বরিশাল | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।