এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর মাধ্যমে ১৯৯১ সালের পর দেশে আবারও বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার এক বিরল ঐতিহাসিক নজির তৈরি হতে যাচ্ছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীতে আয়োজিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
জোটের বৈঠক ও প্রার্থী নির্বাচন
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণের লক্ষ্যে আজ রবিবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জোটের শরিকদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকেই শরিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হতে পারে।
আলোচনায় যারা রয়েছেন
রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে মূলত তিনটি নাম জোর আলোচনায় রয়েছে:
ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (নায়েবে আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
মিয়া গোলাম পরওয়ার (সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (চেয়ারম্যান, এলডিপি)
পাশাপাশি সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো সম্মানিত বা নিরপেক্ষ ব্যক্তির নামও চূড়ান্ত প্রস্তাবে আসতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে চর্চা চলছে।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এমন ঘটনা
বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর সে বছরই শেষবারের মতো বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ সে সময় বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে সমর্থন দিয়েছিল। তবে নির্বাচনে তিনি ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের কাছে ৮০ ভোটে পরাজিত হন।
এরপর থেকে প্রতিটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন। ফলে জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় ধরনের গণতান্ত্রিক ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২১১টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট ৬৮টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে। সংখ্যার বিচারে ফলাফলের সমীকরণ জানা থাকলেও, জামায়াত কেবল জয়-পরাজয়ের চেয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা ও শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান জানান দেওয়াকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।
সার্বিক বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ জানান, প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। শরিক দলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজধানী | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।