এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফুটবল বিশ্বকাপের মুকুট পুনরুদ্ধার করল স্পেন। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ‘লা ফুরিয়া রোজা’রা। ২০১০ সালের পর এটি স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। আর এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলো লিওনেল মেসির আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন।
স্পেনের আধিপত্য ও আর্জেন্টিনার রক্ষণাত্মক কৌশল
পুরো ম্যাচজুড়েই স্পেনের চিরচেনা বল পজেশন ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের আধিপত্য ছিল। অন্যদিকে, শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক মানসিকতার কারণে শুরু থেকেই কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। বল দখল, নিখুঁত পাসিং আর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা শুরু থেকেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে রাখে। ম্যাচের প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল ছিল স্পেনের পায়ে।
প্রথমার্ধের নিরুত্তাপ লড়াই ও ঐতিহাসিক পরিসংখ্যান
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের রক্ষণাত্মক দৃঢ়তার কারণে গোলমুখে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি হয়েছিল খুবই কম। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে গোলমুখে মাত্র ৩টি শট নিতে পেরেছিল স্পেন, যার বিপরীতে আর্জেন্টিনা একটি শটও নিতে পারেনি। ১৯৬৬ সালের পর থেকে সংরক্ষিত বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এটিই প্রথমার্ধে কোনো দলের সবচেয়ে কম শট নেওয়ার এবং আর্জেন্টিনার ইতিহাসে প্রথমার্ধে কোনো শট না নিতে পারার রেকর্ড।
প্রথমার্ধে দানি ওলমোর পাস থেকে বক্সের ভেতর লামিনে ইয়ামালের একটি শট লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রতিহত হয়। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার একমাত্র উল্লেখযোগ্য সুযোগটি আসে যখন হুলিয়ান আলভারেসের থ্রু বল থেকে লিওনেল মেসি সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন দ্রুত এগিয়ে এসে তা প্রতিহত করেন।
লাল কার্ড ও অতিরিক্ত সময়ের মহানাটক
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তবে তার আগেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনার ওপর আক্রমণের চাপ আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন।
অবশেষে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে (ম্যাচের ১০৬তম মিনিটে) ডেডলক ভাঙে স্পেন। পেদ্রো পোরোর চমৎকার ক্রস থেকে বদলি খেলোয়াড় নিকো উইলিয়ামস দারুণ এক হেডে বল বাড়িয়ে দেন বক্সে। সেখানে থাকা আরেক বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেস সুযোগটি হাতছাড়া না করে নিখুঁত শটে বল এমিলিয়ানো মার্তিনেজের জালে জড়িয়ে দেন।
মেসির অশ্রুসজল বিদায়
১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ১০ জনের আর্জেন্টিনা সমতায় ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালায়। অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে বদলি খেলোয়াড় জুলিয়ানো সিমিওনে একটি জোরালো শট নিলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফলে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বজয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে স্পেন।
পুরো ম্যাচে স্প্যানিশ ডিফেন্ডারদের কড়া পাহারায় বন্দি থাকা লিওনেল মেসিকে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়তে হয়। স্পেনের এই শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হলো তাদের নান্দনিক ও পরিকল্পিত ফুটবল দর্শন, আর আর্জেন্টিনার বিদায় নিতে হলো রানার্স-আপ ট্রফি নিয়ে।
জুন ১৫, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২০ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২০ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২০ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ২০ জুলাই, ২০২৬
নেত্রকোনা | ২০ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।