এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর মেস খোঁজার সুযোগকে কেন্দ্র করে নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয়ে যোগাযোগ করে মেসের সিট বুকিংয়ের কথা বলে অগ্রিম টাকা নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতারকরা প্রথমে ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি থেকে নিজেদের নোবিপ্রবির শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করে। পরে বিভিন্ন মেসের ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে নির্দিষ্ট কক্ষ বা সিট বুকিংয়ের আশ্বাস দিয়ে অগ্রিম টাকা দাবি করে। টাকা পাঠানোর পরই তারা সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থী। তিনি জানান, "Sobnom Mustariya" নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ওই ব্যক্তি নিজেকে নোবিপ্রবির ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে মেস খুঁজে দেওয়ার আশ্বাস দেন। একপর্যায়ে তিনি মেস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
পরে ওই শিক্ষার্থী মো. শরিফুল পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নিজেকে একটি মেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে একটি সিট নিশ্চিত করার জন্য এক হাজার টাকা অগ্রিম পাঠাতে বলেন।
ভর্তি-সংক্রান্ত ব্যস্ততা ও আবাসনের প্রয়োজনীয়তার কারণে ওই শিক্ষার্থী নির্ধারিত অর্থ পাঠিয়ে দেন। তবে টাকা পাঠানোর পরই ফেসবুক আইডি ও মোবাইল নম্বর-উভয় মাধ্যম থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, ভর্তি মৌসুমে নবীন শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে এ ধরনের প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির পরিচয় যাচাই ছাড়া কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি মেস ভাড়া বা আবাসন-সংক্রান্ত বিষয়ে বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থী অথবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.এফ.এম. আরিফুর রহমান বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়ে সুধারাম থানার সঙ্গে যোগাযোগ করব। নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এদিকে, সুধারাম থানার ইন্সপেক্টর (সাইবার) মো. ইদ্রিস বলেন, “এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন আশ্বাসের পরও শিক্ষার্থীদের দাবি, ভর্তি মৌসুমে এ ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার এবং নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ভরযোগ্য আবাসন-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
রাজনীতি | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
নওগাঁ | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।