এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ট্রলারে ওঠার সময় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও ঘাটে উপস্থিত লোকজনের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান।
ভুক্তভোগী নেতার নাম অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ। তিনি হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি। গত শুক্রবার (৫ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ জেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় তার ছেলের শ্বশুরবাড়িতে একটি পারিবারিক দাওয়াত শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেরি চলাচল সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেখে তারা ঘাটে এসেছিলেন। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর জানতে পারেন যে রাতের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে হাতিয়ায় ফেরার জন্য তারা একটি ট্রলার ভাড়া করেন। পরিবারের সদস্যদের ট্রলারে তুলে দেওয়ার পর ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ নিজে যখন ট্রলারে উঠছিলেন, ঠিক তখনই পেছন থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিয়ে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়। এই আকস্মিক ঘটনায় ঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে পড়ে যাওয়ার পর ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ নিজেকে ভাসিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘাটে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে একটি গামছা ছুড়ে দিলে তিনি সেটি ধরে পানিতে টিকে থাকেন। পরে স্থানীয় জেলে ও ঘাটে থাকা লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসেন। ঘটনার পরপরই কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ দাবি করেন, "আমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় আমি প্রাণে বেঁচে গেছি।" ঘটনার পেছনে গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, "বিষয়টি আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। তবে এর সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
মার্চ ১৮, ২০২৬
মে ৩০, ২০২৪
নভেম্বর ১৪, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
রাজধানী | ৮ জুন, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৮ জুন, ২০২৬
পিরোজপুর | ৮ জুন, ২০২৬
খাগড়াছড়ি | ৮ জুন, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৮ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।