হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ ১১ জনের নামে মামলা এনসিপির

অনলাইন ডেস্কঃ
৩০ জুলাই, ২০২৬ ২:১৪ পিএম
শেয়ার করুন:
হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ ১১ জনের নামে মামলা এনসিপির

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জের বাহুবল থানায় এ মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এর পরদিন বুধবার রাত ৮টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে যায়। সেখানে হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহির রুবেল বাদী হয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগটি পেয়ে পুলিশ সুপার বাহুবল থানাকে তা নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর আগে বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারে ১৪৪ ধারা জারির মধ্যেই সার্কিট হাউস থেকে গাড়িবহর নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন নাহিদ ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীরা। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। 

এ সময় পুলিশের সঙ্গে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারোয়ার আলমসহ উপস্থিত নেতাকর্মীদের তুমুল বাক্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে নেতাকর্মীরা পুলিশের বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যান।

তবে কিছু দূর পৌঁছানোর পর বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাসফিল্ড এলাকায় আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে এনসিপির গাড়িবহর। এ সময় নাহিদ ইসলামসহ অন্য নেতারা গাড়ি থেকে নেমে সড়কেই অবস্থান নেন। পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং এনসিপি নেতাদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে দলটি তাদের লিখিত অভিযোগ জমা দেয়, যা পরে মামলায় রূপান্তরিত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।