এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
‘আমরা সরকারের বিরুদ্ধে না, দেশের বিরুদ্ধেও না। আমরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশ গড়তে চাই। কিন্তু বর্তমান সরকার কোনোভাবেই তা করতে পারছে না। আমরা সংস্কার চাই এবং সংস্কার করতেই হবে।’— এমন মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস সড়কে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের অংশ হিসেবে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের এ লংমার্চ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে। আমরা সংকীর্ণ কোনো দলীয় দাবি নিয়ে রাজপথে নামিনি; জনগণের ভোটাধিকার ও গণভোটের গণরায় নিশ্চিতের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছি।’ এ সময় বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি পানি খাবে, কিন্তু ঘোলা করে খাবে।’ একই সঙ্গে দাবি আদায়ে আন্দোলন সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেই উত্তর জনপদে আমাদের এই লংমার্চ। গণদাবি নিয়ে ১১ দল রাজপথে নেমেছে এবং আন্দোলনের সফলতা ছিনিয়ে নিয়েই আমরা ঘরে ফিরব।’ তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের সামনে অন্য কোনো বিকল্প নেই; এই রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে বিদায় নিতে হবে।’ এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
লংমার্চের মূল দাবিগুলো:
জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কার্যকর উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি— তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ লংমার্চের ডাক দেয় ১১ দলীয় ঐক্য।
লংমার্চের যাত্রাপথ:
এর আগে সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের বহরটি রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। বহরটি তেজগাঁও, মহাখালী, বনানী, খিলক্ষেত, উত্তরা ও টঙ্গী অতিক্রম করার সময় সড়কের দুপাশে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ফুল ছিটিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে অভিবাদন জানান।
গাজীপুরের ভোগরা বাইপাসের পথসভা শেষে কাফেলাটি পুনরায় রংপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। যাত্রাপথে টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ বাইপাস, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়, বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড় ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর রংপুরের জিলা স্কুল মাঠে এক বিশাল সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে।
জানু ৩, ২০২৬
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
আন্তর্জাতিক | ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজনীতি | ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।