এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সহকর্মী দুই বোনকে ভারতে পাচার ও অনৈতিক কাজে বাধ্য করার দায়ে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি শহীদ শেখের স্ত্রীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৬ ধারায় শহীদ শেখকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া একই আইনের ১০ ধারায় তাকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কাজ করতেন ভুক্তভোগী দুই বোন (যাদের বয়স তখন ছিল যথাক্রমে ২০ ও ১৮ বছর)। একই মিলে তাদের সহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন শহীদ শেখ। ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই দুই তরুণীকে ভারতে পাচার করেন শহীদ। পরে ভারতের মুম্বাই (তৎকালীন বোম্বে) শহরের একটি পতিতালয়ে তাদের বিক্রি করে অসামাজিক কাজে বাধ্য করা হয়।
এ ঘটনায় দুই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ অক্টোবর সালথা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর আলী আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করা হলো।
রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, "আসামি শহীদ শেখের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাকে উপযুক্ত সাজা দিয়েছেন। তবে তার স্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় তিনি খালাস পেয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট।"
ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫
মার্চ ৩১, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।