এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে এক দুবাই প্রবাসীর বাসায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, টাকা ছিনতাই ও ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে এক অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ ম্যাগাজিন, ৪০ পিস ইয়াবা, নগদ ২৭ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন এবং অপরাধে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের 'হক ম্যানশন' থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. আনোয়ার হোসেন টিটু (৩১)। তিনি বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাহানাবাদ গ্রামের নুর আলমের ছেলে। পুলিশ জানায়, টিটু একজন পেশাদার অপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদক, চুরি ও জখমসহ অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে টিটু তার সহযোগীদের নিয়ে হক ম্যানশনের চারতলায় ওই দুবাই প্রবাসীর বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। এরপর পরিবারের সদস্যদের পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অস্ত্রের মুখে ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয় এবং ঘরে থাকা নগদ ২৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে চাঁদাবাজির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর ও সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হক ম্যানশন ঘেরাও করে। সিঁড়ি থেকে সন্দেহভাজন অবস্থায় টিটুকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ইয়াবা ও ছিনতাইকৃত নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে টিটুর সাথে থাকা অপর তিন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ভবনের নিচ থেকে তাদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, "গ্রেপ্তারকৃত টিটুর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে নতুন মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। একইসঙ্গে ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
মাদারীপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ৫ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।