এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ধসের ক্ষত এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন বান্দরবানের রুমা উপজেলার সদর ইউনিয়নের নামী পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মোটরসাইকেলচালক (বাইকার) মোহাম্মদ জামাল হোসেন (৪৮)। বর্ষা কমলেও কাটেনি তার আতঙ্ক। সামান্য বৃষ্টি হলেই কর্মস্থলে থেকেও মন পড়ে থাকে বাড়িতে—আবার কোনো পাহাড়ধসে বসতঘরটি মাটিচাপা পড়ে যায় কি না, সেই দুশ্চিন্তায় কাটছে প্রতিটি দিন।
শুক্রবার (২৪জুলাই) দুপুরে রুমা উপজেলার ১ নম্বর সদরঘাট এলাকায় এক দোকানে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে নিজের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন জামাল হোসেন।
তিনি জানান, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসে তার বসতঘরের সামনে ও পেছনে বিপুল পরিমাণ কাদামাটি জমে যায়। ঘর রক্ষায় খুঁটি পুঁতে মাটি ভরাট করে বস্তা দিয়ে অস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হলেও প্রবল বর্ষণে তা টিকেনি। ফলে যেকোনো সময় ঘরের চারপাশের মাটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা।
জামাল হোসেন বলেন, “সারাদিন মোটরসাইকেল চালিয়ে বাইরে থাকতে হয়। সামান্য বৃষ্টি শুরু হলেই মনে হয়, ঘরের পাশে আবার পাহাড় ধসে পড়ল কি না। পরিবারকে নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।”
তিনি জানান, তার পরিবারে স্ত্রী ও দুই থেকে ১০ বছর বয়সী ছয় সন্তান রয়েছে। মোটরসাইকেল ভাড়া চালানোই পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। তবে সাম্প্রতিক বন্যা ও ভারী বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন ও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যাত্রী কমে গেছে। ফলে আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
জামাল বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি ৩০ কেজি চাল, এক লিটার সয়াবিন তেল, এক কেজি ডাল, দুই কেজি আলু এবং পাঁচ লিটার বিশুদ্ধ পানি ত্রাণ হিসেবে পেয়েছেন। তার মতো ক্ষতিগ্রস্ত অন্য পরিবারগুলোকেও একই ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শুধু জামাল হোসেনের বাড়িই নয়, একই এলাকার আলম (৫৫) ও কামাল (৫২)-এর বসতঘরও পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের ঘরের চারপাশেও মাটি ধসে পড়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, তাদের বসতঘর রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে একটি শক্তিশালী রিটেইনিং (প্রতিরোধ) দেয়াল নির্মাণ করা হোক। তাদের মতে, এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে এবং পরিবারগুলো নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।
স্থানীয়রা জানায়, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় এই নামী পাড়ায় পাহাড়ি- বাঙ্গালী ১৮-২০ পরিবারের ধান সবজি ক্ষেত নানাভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
যশোর | ২৪ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ২৪ জুলাই, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৪ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৪ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।