এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মধ্য আফ্রিকার সংঘাত-বিক্ষুব্ধ দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। দেশটিতে ইতিমধ্যে ইবোলায় আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস।
রোববার (২৪ মে) ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি’র বরাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডব্লিউএইচও প্রধান এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, সংক্রমণের বিস্তার রোধে কঙ্গোতে নজরদারি ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত ৯০০-এর বেশি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে এর মধ্যে ১০১ জনের শরীরে ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের নিয়মিত বুলেটিনে জানায়, দেশের অভ্যন্তরীণ মানবিক সংকট ও চলমান সংঘাতের মধ্যেই তিনটি প্রদেশে ইবোলা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে অন্তত ৮৬৭ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ২০৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ মে ডিআর কঙ্গো সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন করে ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, এবারের সংক্রমণটি মূলত ‘বুন্ডিবুগিও’ নামক ইবোলার একটি বিরল ও অত্যন্ত মারাত্মক স্ট্রেন থেকে ছড়াচ্ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, ভাইরাসের এই নির্দিষ্ট ধরনটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি চিকিৎসাবিজ্ঞানে আবিষ্কৃত হয়নি।
ইবোলার লক্ষণ ও ভয়াবহতা:
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, ইবোলা একটি অত্যন্ত সংক্রামক ও প্রাণঘাতী ব্যাধি। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থ যেমন—রক্ত, লালা বা ঘামের সংস্পর্শে এলে সুস্থ মানুষও এতে আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে তীব্র অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অর্ধশতাব্দীতে আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ইবোলার বিভিন্ন প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে কঙ্গোর সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জুলাই ৩, ২০২৬
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
নওগাঁ | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।