এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে[1]। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের এক সপ্তাহ পার হলেও প্রতিনিয়ত উদ্ধার হচ্ছে মরদেহ[1][2]। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৯৫ জনে[1]। এছাড়া এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ হাজার ৪০০ মানুষ[1]।
গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের সর্বশেষ বিপর্যয়কর পরিস্থিতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) এ খবর জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ বলেন, "আমরা সম্পূর্ণ নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে হতাহতদের এই তালিকা প্রস্তুত করছি। প্রতিটি তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই করার পরই প্রশাসন তা প্রকাশ করছে।" পরিচয় নিশ্চিতকরণের বিষয়ে তিনি জানান, শুরুতে মৃত ঘোষণা করে তালিকাভুক্ত করা পাঁচজনকে পরবর্তীতে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে[2]। দেশের জাতীয় বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ) ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের সঠিক পরিচয় শনাক্ত করা হয়। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া প্রশাসন কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করছে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন উত্তর ভেনেজুয়েলায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে যথাক্রমে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে[1][3]। এতে দেশটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি হয়[1][4]।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পের তীব্রতায় অন্তত ৮৫৫টি বহুতল ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ১২ হাজার ৮০০ মানুষ সম্পূর্ণ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন[2]। অন্যদিকে, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, ঘরবাড়ি হারিয়ে এবং পরবর্তী ভূকম্পনের আতঙ্কে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আরও প্রায় ১৬ হাজার বাসিন্দা[3][5]।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বিশেষায়িত 'র্যাপিড ডিজিটাল অ্যানালাইসিস' প্রযুক্তির প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো মিলিয়ে ভেনেজুয়েলায় মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি পুনর্বাসন ও ধসে পড়া অবকাঠামো সংস্কার কাজের জন্য ভেনেজুয়েলা সরকার প্রাথমিকভাবে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য ও অনুদান সরাসরি গ্রহণের সুবিধার্থে 'সিএএফ-ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অব ল্যাটিন আমেরিকা অ্যান্ড দ্য ক্যারিবিয়ান'-এ একটি বিশেষ ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর স্থায়িত্ব পরীক্ষা এবং পুনর্গঠন কাজে সহায়তার জন্য ইসরায়েল থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ আরও জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং পুনর্নির্মাণ কাজের প্রয়োজনীয় অর্থ ও সম্পদ জোগাড় করতে তাদের সরকার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সাথে বিশ্বব্যাংক এবং ইন্টার-আমেরিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ভেনেজুয়েলাকে বড় অংকের অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
এপ্রিল ১১, ২০২৬
জুলাই ১৯, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ভারত | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ক্রিকেট | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
হলিউড | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।