এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সাত মাস বয়সী এক অসুস্থ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় নিজের স্ত্রীর অবহেলা ও পরকীয়াকে দায়ী করেছেন কুয়েতপ্রবাসী এক স্বামী। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ সত্ত্বেও শিশুকে ঢাকায় না নিয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের খাজুরিয়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। মৃত শিশুর নাম আফরাজ (৭ মাস)। সে ওই গ্রামের কুয়েতপ্রবাসী আলাউদ্দিন মিয়া ও মুক্তা আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল শিশু আফরাজ হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা মুক্তা আক্তার তাকে পার্শ্ববর্তী কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে চিকিৎসকের নির্দেশনা অমান্য করে মুক্তা আক্তার শিশুটিকে ঢাকায় না নিয়ে স্বামীর বাড়ি খাজুরিয়া গ্রামে নিয়ে আসেন। এর কিছুক্ষণ পরই শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিশুটির বাবা কুয়েতপ্রবাসী আলাউদ্দিন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, "আমি প্রবাসে থাকার সুযোগে আমার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই সে আমার অসুস্থ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) সন্তানের প্রতি চরম দায়িত্বহীনতা দেখিয়েছে। গতকাল ডাক্তার শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা বললেও সে কোনো চিকিৎসা না করিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে। বিনা চিকিৎসায় আমার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।"
তিনি আরও জানান, প্রায় আড়াই বছর আগে পারিবারিকভাবে উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের সিরাজ বিশ্বাসের মেয়ে মুক্তা আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মুক্তা স্বামীর বাড়িতে থাকতে অনীহা প্রকাশ করতেন এবং নানা অজুহাতে বাবার বাড়িতেই অবস্থান করতেন। বহু চেষ্টা করেও তাঁকে স্বামীর সংসারে স্থায়ী করা যায়নি। চিকিৎসার অবহেলা ও পারিপার্শ্বিক আচরণের কারণেই সন্তানের মৃত্যুর পেছনে স্ত্রীর সরাসরি গাফিলতি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে পরকীয়া ও অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুক্তা আক্তারের বাবা মো. সিরাজ বিশ্বাস। তিনি বলেন, "আমার নাতি জন্মের পর থেকেই অসুস্থ ছিল। আমি ও আমার মেয়ে শুরু থেকেই সাধ্যমতো তাকে ভালো ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। তাকে বাঁচানোর চেষ্টায় আমাদের কোনো ত্রুটি ছিল না। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আমাদের ওপর মিথ্যা দোষ চাপানো একেবারেই অনুচিত।"
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
শিক্ষা | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।