এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় গ্রেপ্তার এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৪৩ জন এজাহারনামীয় এবং ৩০০ থেকে ৪০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ঘটনার পর রাতভর অভিযান চালিয়ে ১০ নারীসহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চুরি ও মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। থানার হাজতে থাকার সময় তিনি নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। রাতেই তাঁকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
তবে বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে তাঁর স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিকেলে শত শত মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় চড়াও হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা থানায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হালিমকে মারধর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষের এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন—কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে আগৈলঝাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, অনধিকার প্রবেশ, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও গুরুতর জখম করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান জানান, ঘটনার পর থেকে থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া ১৮ জনকে আজ শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মার্চ ১২, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
লালমনিরহাট | ১১ জুলাই, ২০২৬
ফুটবল | ১১ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১১ জুলাই, ২০২৬
বরিশাল | ১১ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১১ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।